পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. 'P' একজন গ্রাম পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি। তিনি গরিব ও দুস্থদের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত চাল বন্টন না করে গোপনে বিক্রি করে দেন। স্থানীয় জনগণের সহায়তায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হয়।
- ক)(1)
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কত তারিখে?
- খ)(2)
৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে কী জান?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত মি. 'P' - এর কর্মকাণ্ড কোন নাগরিক সমস্যা কি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত নাগরিক সমস্যা নিরসন কল্পে তোমার সুপারিশ সমূহ লেখ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অন্যায়-অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরেন এবং বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে দিকনির্দেশনা দেন। এই ভাষণের মাধ্যমেই তিনি ঘোষণা করেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম", যা বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার'-এ অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত মি. 'P'-এর কর্মকাণ্ড 'দুর্নীতি' নামক নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।
ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে নিজের ক্ষমতা, পদ বা দায়িত্বের অপব্যবহার করাই হলো দুর্নীতি। এটি সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়ের প্রধান অন্তরায়।
উদ্দীপকের মি. 'P' হলেন একজন গ্রাম পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি। তাঁর দায়িত্ব ছিল গরিব ও দুস্থদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত চাল সঠিকভাবে বণ্টন করা। কিন্তু তিনি তা না করে চাল গোপনে বিক্রি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করেছেন। দায়িত্বশীল পদে থেকে অর্পিত দায়িত্বের খেয়ানত করে ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার এই কর্মকাণ্ডটি স্পষ্টতই দুর্নীতির বহিঃপ্রকাশ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত নাগরিক সমস্যা অর্থাৎ দুর্নীতি নিরসনে নিম্নোক্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা যেতে পারে:
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বা যথাযথ আইনের আওতায় এনে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ: ত্রাণ বণ্টন ও সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডেটাবেজ এবং জনসম্মুখে তালিকা প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা: স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি ও নিরীক্ষা করা প্রয়োজন।
৪. নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি: স্থানীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।
৫. নৈতিক শিক্ষার প্রসার: জনপ্রতিনিধি ও সমাজপতিদের মাঝে সততা, মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা।উক্ত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে দুর্নীতির বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও