অর্থনীতি ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

শমসের একজন শিক্ষিত কৃষক। তিনি দেশে বিদ্যমান প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে জমি চাষাবাদ করেন। কিন্তু সংরক্ষণের সমস্যা, ত্রুটিপূর্ণ ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতি, দুর্বল বাজার কাঠামো, পণ্যের মান নির্ধারণের জটিলতা, সরকারি যথাযথ নীতির অভাব, দামের উঠানামা ইত্যাদি কারণে প্রায়ই নায্যমুল্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন। সরকার উল্লিখিত সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন।

  1. ক)

    কৃষি ঋণ কি?

    (1)
  2. খ)

    কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে কিভাবে উৎপাদন খরচ হ্রাস পায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কৃষির কোন ধরনের সমস্যার উল্লেখ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার সমাধানে সরকার কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষিকাজ পরিচালনা ও কৃষির সার্বিক উন্নয়নের জন্য কৃষকরা বিভিন্ন উৎস থেকে যে ঋণ গ্রহণ করেন, তাকে কৃষি ঋণ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তির (যেমন: আধুনিক সেচযন্ত্র, ট্রাক্টর, উন্নত বীজ, কীটনাশক ও সার ইত্যাদি) ব্যবহারের ফলে কম সময় ও কম পরিশ্রমে অধিক জমিতে চাষাবাদ করা সম্ভব হয়। এতে উৎপাদনশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পায় এবং প্রতি একক উৎপাদনে শ্রম ও সময়ের অপচয় রোধ হওয়ায় মোট গড় উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে কৃষির 'কৃষিপণ্য বিপণন সমস্যা'-র কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

    কৃষিপণ্য উৎপাদন ক্ষেত্র থেকে চূড়ান্ত ভোক্তার নিকট পৌঁছানো পর্যন্ত যাবতীয় কার্যাবলিকে কৃষি বিপণন বলা হয়। উদ্দীপকে কৃষক শমসের আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্য ব্যবহার করে সফলভাবে ফসল উৎপাদন করলেও সংরক্ষণের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতি, দুর্বল বাজার কাঠামো, পণ্যের গ্রেডিং বা মান নির্ধারণের জটিলতা এবং সঠিক নীতিমালার অভাবে ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    এসব জটিলতা সরাসরি কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ বা কৃষি বিপণন ব্যবস্থার দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। সুতরাং, উদ্দীপকে কৃষির বিপণনজনিত সমস্যার কথাই তুলে ধরা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষি বিপণন সমস্যার সমাধানে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে:

    ১. আধুনিক গুদাম ও হিমাগার নির্মাণ: পচনশীল কৃষিপণ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য সরকারি উদ্যোগে পর্যাপ্ত আধুনিক হিমাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপন করা প্রয়োজন।
    ২. মানসম্মত ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতকরণ: বাজারে সঠিক ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি এবং ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রের বাধ্যতামূলক ব্যবহার কার্যকর করা।
    ৩. মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস ও বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন: সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়ের জন্য সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু করা এবং উন্নত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তার সাথে কৃষকের সংযোগ স্থাপন করা।
    ৪. পণ্যের মান নির্ধারণ ও গ্রেডিং ব্যবস্থা চালু: কৃষিপণ্যের সঠিক মান ও শ্রেণিবিন্যাস নির্ধারণের জন্য স্পষ্ট নীতিমালা ও সরকারি মানদণ্ড প্রণয়ন করা।
    ৫. ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও বাজার তদারকি: ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ এবং অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত বাজার তদারকি (মনিটরিং) জোরদার করা।

    অতএব, উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার কৃষিপণ্যের সুষ্ঠু বিপণন নিশ্চিত করে কৃষকের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন