‍ইতিহাস ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

‍ইতিহাস ১ম পত্র প্রশ্ন

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার ও নিপীড়নের কারণে মুসলমান রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ সরকার সাধ্যমত তাদের সাহায্য ও সহযোগিতা করছে। এছাড়াও বন্ধুপ্রতিম অনেক দেশ সাহায্য অব্যাহত রেখেছে।

  1. ক)

    জর্জ হ্যারিসন কে ছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    ইন্দিরা গান্ধীর পরিচয় দাও।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের মতো তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন কোন দেশ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছিল- ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উত্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে- তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জর্জ হ্যারিসন ছিলেন বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ পপ সঙ্গীতশিল্পী এবং বিখ্যাত 'দ্য বিটলস' ব্যান্ডের সদস্য, যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর আয়োজন করেছিলেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও খাদ্য প্রদান, মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ এবং বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ব্যাপক কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি বাংলাদেশের মানবিক সহযোগিতার মতো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রধানত ভারত এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিল।

    ভারতের অবদান ছিল প্রত্যক্ষ। ভারত প্রায় এক কোটি বাঙালি শরণার্থীকে আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা দেয়। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সহায়তা এবং পরবর্তীতে যৌথ বাহিনী গঠনের মাধ্যমে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। অন্যদিকে, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বনকারী পরাশক্তিগুলোর হস্তক্ষেপ প্রতিহত করেছিল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ইঙ্গিত অনুযায়ী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারতের বহুমুখী সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের বিজয়কে চূড়ান্ত রূপ দিতে বিশেষভাবে ত্বরান্বিত করেছিল।

    ভারত সরকার শুধুমাত্র ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তাই দেয়নি, বরং বাংলাদেশের অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারকে সব ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা দিয়েছিল। মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র ও আধুনিক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করে রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করতে সক্ষম করে তোলে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ব জনমত গঠনে অক্লান্ত প্রচেষ্টা চালান।

    চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে যৌথ কমান্ড (মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী নিয়ে গঠিত 'যৌথ বাহিনী') গঠিত হয়। ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান বিমানবাহিনী ভারতে আক্রমণ চালালে যৌথ বাহিনী সর্বাত্মক অভিযান শুরু করে। মিত্রবাহিনীর প্রবল আক্রমণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে মাত্র ১৩ দিনের মাথায় পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। সুতরাং, ভারতের সার্বিক সহযোগিতা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন সংগ্রামকে দ্রুত সফল ও বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন