ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. নিরুপ মহানন্দা মোবাইল কোম্পানির বিক্রয় ব্যবস্থাপক হিসেবে সারা দেশে ৩০ জন সেলস অফিসার পরিচালনা করেন। তিনি কোন নির্দেশনাদানের পূর্বেই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের সাথে নির্দেশনার বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ করেন। যার ফলে অধঃস্তনরা তার ওপর সন্তুষ্ট।
- ক)(1)
স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব কাকে বলে?
- খ)(2)
একজন আদর্শ নেতাকে ধৈর্যশীল হতে হয় কেন?
- গ)(3)
মি. নিরুপের নেতৃত্বটি আনুষ্ঠানিকতার বিচারে কোন ধরনের? ব্যাখ্যা দাও।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে মি. নিরুপের উক্ত নির্দেশনাটির পদ্ধতির মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় - তুমি কি একমত?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে নেতৃত্ব পদ্ধতিতে নেতা সকল ক্ষমতা নিজের হাতে কুক্ষিগত রাখেন, কারও সাথে কোনো পরামর্শ করেন না এবং ভয়ভীতি ও শাস্তির ভয় দেখিয়ে কাজ আদায় করেন, তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নেতৃত্ব প্রদানে অধস্তন কর্মীদের ভুলত্রুটি, প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন চাপ শান্তভাবে মোকাবিলা করার জন্য একজন আদর্শ নেতাকে ধৈর্যশীল হতে হয়।
নেতা যদি সামান্য প্রতিকূলতায় বা কর্মীদের ভুলে অধৈর্য ও ক্রুদ্ধ হয়ে পড়েন, তবে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং কর্মীরা মনোবল হারিয়ে ফেলে। নেতা ধৈর্যশীল হলে যে-কোনো জটিল ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সঠিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কর্মীদের পরিচালনা করতে পারেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আনুষ্ঠানিকতার বিচারে মি. নিরুপের নেতৃত্বটি হলো 'আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব' (Formal Leadership)।
প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদা, সাংগঠনিক কাঠামো এবং নিয়মবিধির মধ্য দিয়ে যে নেতৃত্বের সৃষ্টি হয়, তাকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বলে। এই নেতৃত্বে নেতা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের বলে অধস্তনদের পরিচালনা করেন।
উদ্দীপকে মি. নিরুপ হলেন মহানন্দা মোবাইল কোম্পানির 'বিক্রয় ব্যবস্থাপক'। তিনি সাংগঠনিক পদাধিকারবলে সারাদেশের ৩০ জন সেলস অফিসারকে পরিচালনা করার আনুষ্ঠানিক কর্তৃত্ব লাভ করেছেন। যেহেতু এই কর্তৃত্ব ও নেতৃত্বের উৎস কোম্পানির সাংগঠনিক কাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক পদ, তাই আনুষ্ঠানিকতার বিচারে মি. নিরুপের নেতৃত্বটি আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, উদ্দীপকে মি. নিরুপের গৃহীত নির্দেশনা পদ্ধতির (পরামর্শমূলক নির্দেশনা) মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়—আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
যে নির্দেশনায় কোনো নির্দেশ জারির পূর্বে অধস্তনদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা ও পরামর্শ করা হয়, তাকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা বলে। এ পদ্ধতিতে কর্মীরা কাজের উদ্দেশ্য, করণীয় এবং সমস্যা সম্পর্কে আগেই স্পষ্টভাবে অবহিত হতে পারে এবং তারা সিদ্ধান্তটিকে নিজেদের বলে মনে করে।
উদ্দীপকে মি. নিরুপ যেকোনো নির্দেশনা দেওয়ার পূর্বেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কর্মীদের সাথে বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ করেন। এর ফলে কর্মীরা কাজের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তাদের কোনো অস্পষ্টতা থাকে না। যখন কর্মীরা নির্দেশনার প্রতিটি দিক স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে এবং পরিকল্পনায় নিজেদের মতামতের প্রতিফলন দেখে, তখন তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করে। এতে কাজের বিচ্যুতি বা ভুলত্রুটি কমে যায়।
ফলস্বরূপ, ব্যবস্থাপকের জন্য কর্মীদের ঘন ঘন চাপ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না এবং কার্যকর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত সহজ হয়। সুতরাং, পরামর্শমূলক নির্দেশনার মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ সহজতর হয়—বক্তব্যটি যুক্তিযুক্ত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও