পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
নাগরিকের অধিকতর সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দু' ভাগে ভাগ করে। 'ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন' ও 'ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন' নামে পৃথক দুটি সিটি কর্পোরেশনের রূপান্তরিত করে।
- ক)(1)
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয় কখন?
- খ)(2)
দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন ঐতিহাসিক ঘটনা সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনার মূলে ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করা- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দ্বৈতশাসন বলতে এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে শাসনক্ষমতা দুটি পৃথক কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে প্রদেশগুলোতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়, যেখানে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে 'সংরক্ষিত' (গভর্নরের অধীনে) ও 'হস্তান্তরিত' (ভারতীয় মন্ত্রীদের অধীনে)—এই দুই ভাগে ভাগ করে পরিচালনা করা হতো।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত ১৯০৫ সালের ঐতিহাসিক 'বঙ্গভঙ্গ' ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে নাগরিকের অধিকতর সেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। একইভাবে ১৯০৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসক লর্ড কার্জন বিশাল আয়তনের অবিভক্ত বাংলাকে প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাত তুলে বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি আলাদা প্রদেশ গঠন করেছিলেন। ফলে উভয় ঘটনাতেই প্রশাসনিক সংস্কারের নামে বিভাজন ঘটানোর সাদৃশ্য সুস্পষ্ট।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনাটি হলো ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ। ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রশাসনিক সুবিধার যুক্তি দেখালেও এর মূল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন ক্রমবর্ধমান বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করা। সে সময় কলকাতায় কেন্দ্র করে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনীতির যে বিকাশ ঘটছিল, ব্রিটিশরা বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে 'ভাগ কর ও শাসন কর' (Divide and Rule) নীতি বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। বাঙালি বুদ্ধিজীবী ও বিপ্লবীদের ঐক্য ভেঙে তাদের ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করাই ছিল মূল লক্ষ্য। সুতরাং বলা যায়, বঙ্গভঙ্গের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ ও দুর্বল করা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও