গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ • বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    গৃহ ব্যবস্থাপনাকে জীবনের প্রশাসনিক দিক বলে কে অভিহিত করেন?

    (1)
  2. খ)

    কাজে সমন্বয় করা প্রয়োজন কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ? চিহ্নিত স্থানটি কী নির্দেশ করে বুঝিয়ে লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    লক্ষ্য অর্জনে উদ্দীপকের ধাপগুলো অনুসরণ করা উচিত— বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গৃহ ব্যবস্থাপনাকে জীবনের প্রশাসনিক দিক বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞ গ্রস ও ক্র্যান্ডাল (Gross and Crandall)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কাজে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং লক্ষ্য সঠিকভাবে অর্জনের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি বা বিভাগের কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করার উদ্দেশ্যে সমন্বয় সাধন প্রয়োজন।

    গৃহ ব্যবস্থাপনায় পরিবারের সকল সদস্যের কাজের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় থাকলে সময়, শক্তি ও অন্যান্য সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। সমন্বয়ের অভাবে কাজে বিশৃঙ্খলা, ভুল বোঝাবুঝি এবং সম্পদের অপচয় ঘটে। তাই কাজের গতি বজায় রাখতে ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানটি 'গৃহ ব্যবস্থাপনা' বা 'গৃহ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য/লক্ষ্য অর্জন' নির্দেশ করে।

    উদ্দীপকে উল্লেখিত উপাদানগুলো হলো— পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ। এগুলো হলো ব্যবস্থাপনার মৌলিক কার্যাবলি বা পর্যায়। গ্রস ও ক্র্যান্ডালের মতে, গৃহ ব্যবস্থাপনা হলো একটি ধারাবাহিক গতিশীল প্রক্রিয়া যা কতগুলো ধারাবাহিক ধাপ বা কাজের সমষ্টি। প্রতিটি ধাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই পরিবারের মূল উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়। উদ্দীপকে তীরচিহ্নগুলো দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, এই ধাপগুলোর সমন্বিত প্রয়োগ চূড়ান্তভাবে গৃহ ব্যবস্থাপনা তথা লক্ষ্য অর্জনে গিয়ে উপনীত হয়। অতএব, '?' চিহ্নিত স্থানটি গৃহ ব্যবস্থাপনা বা লক্ষ্যের প্রতিফলন নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পারিবারিক যেকোনো লক্ষ্য সুষ্ঠু ও ফলপ্রসূভাবে অর্জনের জন্য উদ্দীপকে উল্লেখিত গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করা অপরিহার্য। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. পরিকল্পনা: লক্ষ্য অর্জনের প্রথম ধাপ হলো পূর্বপরিকল্পনা গ্রহণ। কী কাজ, কীভাবে, কখন এবং কার দ্বারা করা হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
    ২. সংগঠন: গৃহের সম্পদ ও কাজের বণ্টন সমন্বয় করা এবং কাজগুলোকে একত্রিত করা সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
    ৩. নির্দেশনা: কাজটি বাস্তবায়নের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া যাতে কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই কাজ এগিয়ে চলে।
    ৪. নিয়ন্ত্রণ: পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ ও ত্রুটি সংশোধন করাই হলো নিয়ন্ত্রণ।
    ৫. মূল্যায়ন: কাজের ফলাফল লক্ষ্য অনুযায়ী হলো কি না এবং কোনো ঘাটতি ছিল কি না তা পর্যালোচনা করা হয়।
    ৬. সিদ্ধান্ত গ্রহণ: ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক বিকল্প বাছাই এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি অপরিহার্য অঙ্গ।

    উপরোক্ত ধাপগুলো একটির সাথে আরেকটি নিবিড়ভাবে জড়িত। যেকোনো একটি ধাপ বাদ পড়লে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতা বা সম্পদের অপচয় ঘটতে পারে। তাই লক্ষ্য অর্জনে উদ্দীপকের ধাপগুলোর সঠিক ও ধারাবাহিক অনুসরণ অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ও প্রয়োজন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন