অর্থনীতি ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন
A একটি অনুন্নত দেশ। উক্ত দেশটির জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কিত তথ্য নিচে দেওয়া হল :

- ক)(1)
বেকারত্ব কি?
- খ)(2)
শিক্ষা মানবসম্পদ উন্নয়নে কিভাবে সহায়তা করে?
- গ)(3)
A দেশের তথ্য জনসংখ্যার কোন তত্ত্বের সাথে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রচলিত মজুরিতে কাজ করার ইচ্ছা ও শারীরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তি যদি কাজ না পায়, তবে সেই পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শিক্ষা মানুষের অন্তর্নিহিত জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রযুক্তিগত যোগ্যতার বিকাশ ঘটিয়ে তাকে সাধারণ শ্রমশক্তি থেকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করে। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ আধুনিক উৎপাদন কৌশল ও উদ্ভাবনী ধারণার সাথে পরিচিত হয়, যার ফলে তার উৎপাদনশীলতা এবং কর্মক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এভাবে শিক্ষা মানবসম্পদ উন্নয়নে মৌলিক ভূমিকা পালন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' দেশের তথ্য প্রখ্যাত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ থমাস রবার্ট ম্যালথাসের 'জনসংখ্যা তত্ত্ব'-এর সাথে সংগতিপূর্ণ।
ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো দেশে জনসংখ্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে (১, ২, ৪, ৮, ১৬, ...) এবং খাদ্য উৎপাদন বাড়ে গাণিতিক হারে (১, ২, ৩, ৪, ৫, ...)। প্রতি ২৫ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়।
উদ্দীপকের সারণিতে দেখা যায়, প্রতি ২৫ বছর পর পর (১৯২৫, ১৯৫০, ১৯৭৫ ও ২০০০ সালে) 'A' দেশের জনসংখ্যা যথাক্রমে ১, ২, ৪ ও ৮ কোটি হারে অর্থাৎ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরপক্ষে একই সময়ে খাদ্য উৎপাদন যথাক্রমে ১, ২, ৩ ও ৪ কোটি টন হারে অর্থাৎ গাণিতিক বা সমান্তর প্রগমন হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্য উৎপাদনের তুলনায় জনসংখ্যার এ রূপ অতিবৃদ্ধি পুরোপুরি ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' দেশের মূল সমস্যা হলো খাদ্য উৎপাদনের তুলনায় জনসংখ্যার তীব্র বৃদ্ধি, যা ম্যালথাসীয় খাদ্য ঘাটতি ও অতিজনসংখ্যার সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এ সমস্যা নিরসনে ম্যালথাসীয় দৃষ্টিকোণ ও আধুনিক উন্নয়ন নীতিমালার সমন্বয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়:
১. জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধক ব্যবস্থা: পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির ব্যাপক বিস্তার, জন্মনিরোধক উপকরণের সহজলভ্যতা, দেরিতে বিবাহ এবং আত্মসংযম অবলম্বনের মাধ্যমে জনসংখ্যার জ্যামিতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা।
২. কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ: কৃষিতে আধুনিক সার, উন্নত বীজ, সেচ ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়ে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধির প্রভাব কাটিয়ে ওঠা।
৩. শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: নারীদের শিক্ষিত করে তোলা এবং পরিবার পরিকল্পনায় উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করা।
৪. মানবসম্পদ উন্নয়ন: বাড়তি জনসংখ্যাকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করে উৎপাদনশীল কাজে লাগানো।
৫. খাদ্য অপচয় রোধ ও সুষম বণ্টন: খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাদ্যদ্রব্যের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা।পরিশেষে, কার্যকর প্রতিরোধক ব্যবস্থার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধির মাধ্যমেই কেবল 'A' দেশের এ সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও