ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
সরকার চায় দেশের সর্বত্র শিল্প ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকার সাশ্রয়ী মূল্যে মানুষ ও পণ্য পরিবহনের কথা চিন্তা করে সারাদেশে গণপরিবহনের পরিচালনা করে আসছে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপরিবহন গণমানুষের সেবা দিতে আগ্রহী হলেও তাদের বাস ও ট্রাকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় একবারেই কম বলে তা সম্ভব হচ্ছে না।
- ক)(1)
বিআরটিসি কী?
- খ)(2)
কোন ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য জনকল্যাণ? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্প গড়ার ক্ষেত্রে সরকারের কোন উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত গণপরিবহন জনগণকে আরও উন্নত সেবা দিতে পারবে কি? তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিআরটিসি (BRTC) হলো বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (Bangladesh Road Transport Corporation), যা সরকারি মালিকানাধীন ও পরিচালিত একটি সড়ক পরিবহন সংস্থা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ।
রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে। ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন হলেও রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধন করা। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা পৌঁছানোই এই ব্যবসায়ের মূল লক্ষ্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্প ও ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক অর্থনৈতিক কল্যাণের উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে।
একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হলো সুষম শিল্পায়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার। এজন্য সরকার পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো অবকাঠামো গড়ে তোলে, যাতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারে এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় থাকে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সরকার দেশের সর্বত্র শিল্প ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য ও মানুষ পরিবহনের জন্য গণপরিবহন পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে সরকার আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করে সারা দেশে সুষম শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চায়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি মনে করি প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সংস্কার নিশ্চিত করা গেলে উদ্দীপকে বর্ণিত গণপরিবহন জনগণকে আরও উন্নত সেবা দিতে পারবে।
সরকারি গণপরিবহন সংস্থা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকা, সুষ্ঠু তদারকির অভাব ও ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে অনেক সময় জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না।
উদ্দীপকে দেখা যায়, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপরিবহন সেবা দিতে আগ্রহী হলেও বাস ও ট্রাকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে হলে সরকারের উচিত বহরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আধুনিক বাস ও ট্রাক সংযোজন করা। সেই সাথে দক্ষ ব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি প্রতিরোধ, চালক ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ এবং সময়োপযোগী পরিচালনা নিশ্চিত করলে সেবা মান বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
অতএব, প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি ও কার্যকর প্রশাসনিক তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এই গণপরিবহন জনগণকে আরও উন্নত ও নির্ভরযোগ্য সেবা দিতে পুরোপুরি সক্ষম হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও