অর্থনীতি ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৬
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
চালের বাজারের কাল্পনিক চাহিদা ও যোগান সূচি নিম্নরূপঃ
চালের দাম ( টাকা) | চাহিদার পরিমাণ ( কেজি ) | যোগানের পরিমাণ ( কেজি )
৫ | ২০ | ০
১০ | ১৫ | ৫
১৫ | ১০ | ১০
২০ | ৫ | ১৫
- ক)(1)
রেখার ঢাল কী?
- খ)(2)
চাহিদা রেখা কখন ঊর্ধ্বগামী হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের তথ্যানুসারে চালের বাজারের ভারসাম্য অবস্থা চিত্রের সাহায্যে উপস্থাপন করো।
- ঘ)(4)
তালিকায় প্রদত্ত প্রতিটি দামের চালের যোগানের পরিমাণ ১০ কেজি করে বৃদ্ধি পেলে ভারসাম্য অবস্থার ওপর কী প্রভাব পড়বে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো রেখার অধীন স্বাধীন চলের পরিবর্তনের ফলে অধীন চলের পরিবর্তনের অনুপাতকে ওই রেখার ঢাল বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
চাহিদা বিধির ব্যতিক্রম ঘটলে চাহিদা রেখা ঊর্ধ্বগামী হয়। যেমন: গিফেন দ্রব্য বা অতি নিকৃষ্ট দ্রব্যের ক্ষেত্রে দাম বাড়লে চাহিদা বাড়ে এবং দাম কমলে চাহিদা কমে। এছাড়া ভেবলেন দ্রব্য বা বিলাসজাত প্রদর্শনমূলক দ্রব্য, ভবিষ্যতে দাম আরও বৃদ্ধির প্রত্যাশা বা ক্রেতার অজ্ঞতার ক্ষেত্রে দাম ও চাহিদার মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক দেখা যায়, যার ফলে চাহিদা রেখা বাম থেকে ডানে ঊর্ধ্বগামী হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সূচি থেকে চালের বাজারের ভারসাম্য অবস্থা চিত্রে উপস্থাপন করা হলো:
সূচি অনুযায়ী, চালের দাম যখন ১৫ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ১০ কেজি এবং যোগানের পরিমাণও ১০ কেজি। অর্থাৎ, দাম ১৫ টাকায় চাহিদা ও যোগান পরস্পর সমান হয়।
চিত্রাঙ্কন ও ব্যাখ্যা:
ভূমি অক্ষে চালের চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ (কেজি) এবং লম্ব অক্ষে চালের দাম (টাকা) নির্দেশ করা হলো।- দাম ৫, ১০, ১৫ ও ২০ টাকা হলে চাহিদা যথাক্রমে ২০, ১৫, ১০ ও ৫ কেজি, যা যোগ করে বাম থেকে ডানে নিম্নগামী DD চাহিদা রেখা পাওয়া যায়।
- একই দামে যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ০, ৫, ১০ ও ১৫ কেজি, যা যোগ করে বাম থেকে ডানে ঊর্ধ্বগামী SS যোগান রেখা পাওয়া যায়।
- DD ও SS রেখা দুটি পরস্পরকে 'E' বিন্দুতে ছেদ করে।
অতএব, 'E' হলো ভারসাম্য বিন্দু। ভারসাম্য দাম ১৫ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ১০ কেজি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিটি দামে চালের যোগানের পরিমাণ ১০ কেজি বৃদ্ধি পেলে নতুন যোগান সূচি হবে নিম্নরূপ:
- দাম ৫ টাকা: নতুন যোগান = ০ + ১০ = ১০ কেজি (চাহিদা = ২০ কেজি)
- দাম ১০ টাকা: নতুন যোগান = ৫ + ১০ = ১৫ কেজি (চাহিদা = ১৫ কেজি)
- দাম ১৫ টাকা: নতুন যোগান = ১০ + ১০ = ২০ কেজি (চাহিদা = ১০ কেজি)
- দাম ২০ টাকা: নতুন যোগান = ১৫ + ১০ = ২৫ কেজি (চাহিদা = ৫ কেজি)
ভারসাম্যের ওপর প্রভাবের বিশ্লেষণ:
১. নতুন ভারসাম্য বিন্দু: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেখা যায়, ১০ টাকা দামে চালের চাহিদা (১৫ কেজি) এবং চালের নতুন যোগান (১৫ কেজি) পরস্পর সমান হয়।
২. চিত্রে প্রভাব: প্রাথমিক ভারসাম্য বিন্দু ছিল E (যেখানে ভারসাম্য দাম ছিল ১৫ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ছিল ১০ কেজি)। প্রতিটি দামে যোগান বৃদ্ধি পাওয়ায় যোগান রেখা ডানদিকে স্থানান্তরিত হয়ে নতুন যোগান রেখা S₁S₁ হবে। চাহিদা রেখা (DD) অপরিবর্তিত থাকলে নতুন যোগান রেখা চাহিদা রেখাকে নতুন একটি বিন্দুতে (মনে করি E₁) ছেদ করে।
৩. দাম ও পরিমাণের পরিবর্তন: নতুন ভারসাম্য বিন্দুতে চালের ভারসাম্য দাম ১৫ টাকা থেকে হ্রাস পেয়ে ১০ টাকা হবে এবং ভারসাম্য পরিমাণ ১০ কেজি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ কেজি হবে।সুতরাং, যোগান বৃদ্ধির ফলে বাজারে চালের ভারসাম্য দাম কমে যাবে এবং চালের ভারসাম্য লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও