যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    নিরীক্ষণ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    কারণ ও শর্ত এক নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    চিত্রে পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টিকে কি তুমি গ্রহণযোগ্য মনে কর? মতামত দাও ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাকৃতিক ঘটনাকে সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রত্যক্ষ করাকে নিরীক্ষণ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কারণ হলো কোনো ঘটনার পূর্ববর্তী সব সদর্থক ও নঞর্থক শর্তের সমষ্টি, যা কার্য সৃষ্টির জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে শর্ত হলো কারণের একটি অপরিহার্য অংশ মাত্র। একাধিক শর্তের পারস্পরিক সমন্বয়ে একটি কারণ গঠিত হয়; একটি একক শর্ত কখনো পুরো কারণ হতে পারে না। তাই কারণ ও শর্ত এক নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্রে পাঠ্যবইয়ের যুক্তিবিদ্যার 'বহুকারণবাদ' (Plurality of Causes) বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে।

    যুক্তিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল ও কার্ভেথ রিডের মতে, একই কার্য বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কারণের দ্বারা উৎপন্ন হতে পারে। এই মতবাদটি বহুকারণবাদ নামে পরিচিত।

    উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যাচ্ছে যে 'শব্দ' একটি কার্য, যা কোকিলের ডাক, ঘণ্টাধ্বনি, হাততালি, মাইক, গাড়ির হর্ন বা বজ্রধ্বনির মতো বিভিন্ন স্বতন্ত্র কারণ থেকে উৎপন্ন হতে পারে। এখানে একই কার্য (শব্দ) বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন স্বতন্ত্র কারণে সংঘটিত হচ্ছে দেখানো হয়েছে, যা বহুকারণবাদের মূল বক্তব্যকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বহুকারণবাদকে বিজ্ঞানসম্মত ও যথাযথ অর্থ বিবেচনা করলে সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করি না।

    বহুকারণবাদ সাধারণ মানুষের আপাত ও অগভীর দৃষ্টিতে সঠিক মনে হলেও বৈজ্ঞানিক ও কঠোর যুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ত্রুটিপূর্ণ। কারণ—

    ১. কারণকে সাধারণ অর্থে বিবেচনা: বহুকারণবাদে কার্য বা কারণকে বিশেষ অর্থে গ্রহণ না করে অত্যন্ত সাধারণ অর্থে গ্রহণ করা হয়। যেমন- 'শব্দ' একটি সাধারণ ধারণা, কিন্তু কোকিলের ডাকজাত শব্দ ও বজ্রধ্বনির শব্দ প্রকৃতিগতভাবে অভিন্ন কার্য নয়।
    ২. কারণের বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞার পরিপন্থী: বৈজ্ঞানিক নিয়মানুসারে একই কারণ সর্বদাই একই কার্য সৃষ্টি করে এবং একটি কার্যের পেছনে একটিমাত্র কারণই থাকে (কার্য-কারণ নিয়মের অপরিবর্তনীয়তা)।
    ৩. কার্যাবলীর সূক্ষ্ম পার্থক্যের অবহেলা: কার্যকে যদি তার বিশিষ্ট রূপ অনুযায়ী সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যাবে প্রতিটি ভিন্ন শব্দের জন্য নির্দিষ্ট ও স্বতন্ত্র কারণ রয়েছে।

    সুতরাং, সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে বহুকারণবাদের কিছু ব্যবহারিক আবেদন থাকলেও প্রকৃত কার্যকারণ সম্পর্কের আলোকে এটি পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন