উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

হাসি ও খুশি দুই বোন। নেত্রকোণা শহরে ‘ঘরে তৈরি খাবার' নামে একটি রেস্টুরেন্ট চালু করে। তাদের রেস্টুরেন্টের খাবারের মান ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ভোক্তাদের আকৃষ্ট করে। অর্জিত মুনাফা তারা সমানভাবে ভাগ করে নেয়। অল্প সময়ের মধ্যে তারা ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন করে এবং দেশব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। তাই তারা চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চিন্তা-ভাবনা করছে

  1. ক)

    ভূমি কী?

    (1)
  2. খ)

    “মূলধন উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান”— ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    হাসি ও খুশির নতুন উদ্যোগের ফলে সৃষ্ট সংগঠনের নাম উল্লেখ করে সিদ্ধান্তটি মূল্যায়ন করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকৃতির যেসব উপাদান বা সম্পদ যা মানুষ সৃষ্টি করতে পারে না কিন্তু উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়, তাকে অর্থনীতিতে ভূমি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মূলধন সরাসরি প্রকৃতি থেকে পাওয়া যায় না; বরং মানুষের অতীত শ্রম ও মেধার দ্বারা উৎপাদিত হয়ে পুনরায় অতিরিক্ত উৎপাদন কার্যে ব্যবহৃত হয়।

    মানুষ তার আয়ের একটি অংশ ভোগ না করে সঞ্চয় করে এবং সেই সঞ্চিত অর্থ বা সম্পদ যখন ভবিষ্যৎ পণ্য ও সেবা উৎপাদনে খাটানো হয়, তখন তা মূলধনে রূপ নেয়। যেহেতু মূলধন উৎপাদনের আগের কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে এবং পুনরায় উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, তাই মূলধনকে উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ঘরে তৈরি খাবার' রেস্টুরেন্টটি একটি অংশীদারি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান।

    দুই বা ততোধিক ব্যক্তি চুক্তির ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মতিতে বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে অর্জিত মুনাফা নিজেরা বণ্টন করে নেওয়ার উদ্দেশ্যে যে সংগঠন গড়ে তোলে, তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে।

    উদ্দীপকে হাসি ও খুশি দুই বোন মিলে যৌথভাবে 'ঘরে তৈরি খাবার' নামের রেস্টুরেন্টটি চালু করেছে। তারা অর্জিত মুনাফা সমানভাবে ভাগ করে নেয়। একাধিক সদস্যের উপস্থিতি ও মুনাফা বণ্টনের এই বৈশিষ্ট্যগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে প্রতিষ্ঠানটি একটি অংশীদারি সংগঠন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হাসি ও খুশির নতুন উদ্যোগের ফলে সৃষ্ট সংগঠনের নাম হলো 'যৌথ মূলধনী কোম্পানি' বা 'কোম্পানি সংগঠন'। তাদের এই সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং যৌক্তিক।

    চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট ব্যবসায় হলো যৌথ মূলধনী কোম্পানি, যার একটি পৃথক আইনগত সত্তা থাকে এবং শেয়ারহোল্ডারদের মৃত্যু, দেউলিয়াত্ব বা অবসরের ফলেও ব্যবসায়ের অস্তিত্ব বিনষ্ট হয় না। অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সদস্যদের কোনো কারণে প্রস্থান বা মতানৈক্যে ব্যবসায় বিলোপ ঘটতে পারে।

    উদ্দীপকে হাসি ও খুশির রেস্টুরেন্টটি অল্প সময়েই দেশব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি ও সফলতা লাভ করেছে। তাদের ব্যবসায়িক পরিধি ও সুনাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব এবং অধিক মূলধনের সংস্থান প্রয়োজন। যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন করলে তারা চিরন্তন অস্তিত্বের সুবিধার পাশাপাশি দায় সীমাবদ্ধ রাখা এবং ভবিষ্যতে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের সুযোগ পাবে।

    অতএব, দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জনের প্রেক্ষাপটে চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট যৌথ মূলধনী কোম্পানি গড়ে তোলার সিদ্ধান্তটি তাদের ব্যবসায়ের দীর্ঘস্থায়িত্ব ও সম্প্রসারণের জন্য যথার্থ ও ইতিবাচক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন