বাংলা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

1.

(ক) 'এ' ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।অথবা,(খ) যেকোনো পাঁচটি শব্দের উচ্চারণ লেখো:অকৃতজ্ঞ, অতঃপর, আবশ্যক, চিহ্নিত, ঐকতান, শ্লেষ্মা, প্রশ্ন, জিহ্বা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

(ক) 'এ' ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ নিম্নে দেওয়া হলো:

বাংলা ভাষায় 'এ' ধ্বনির উচ্চারণ মূলত দুই প্রকার—সংবৃত বা স্বাভাবিক [e] এবং বিবৃত বা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা চওড়া/প্রসারিত [æ]। এর পাঁচটি উল্লেখযোগ্য নিয়ম:

১. পদের শুরুতে বিবৃত [æ] উচ্চারণ: খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব শব্দের শুরুতে 'এ' বা 'এ-কার'-এর পর যদি 'অ' বা 'আ' ধ্বনি থাকে, তবে সেই 'এ'-এর উচ্চারণ সাধারণত বিবৃত [æ] হয়।
যেমন: দেখা [দ্যাখা], খেলা [খ্যালা], একা [অ্যাকা]।

২. 'ই' বা 'উ' কার পূর্বে সংবৃত [e] উচ্চারণ: শব্দের আদিতে 'এ' বা 'এ-কার'-এর পরবর্তী বর্ণে হ্রস্ব বা দীর্ঘ 'ই' বা 'উ'-কার থাকলে 'এ'-এর উচ্চারণ সংবৃত বা স্বাভাবিক [e] হয়।
যেমন: দেখি [দেখি], বেশি [বেশি], বেলুন [বেলুন্]।

৩. একাক্ষর সর্বনাম পদে সংবৃত [e] উচ্চারণ: একাক্ষর সর্বনাম পদের 'এ' ধ্বনি সাধারণত সংবৃত [e] রূপে উচ্চারিত হয়।
যেমন: কে [কে], সে [শে], যে [যে]।

৪. তৎসম শব্দে সংবৃত [e] উচ্চারণ: তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের আদিতে অবস্থিত 'এ'-এর উচ্চারণ সাধারণত সংবৃত [e] হয়।
যেমন: মেঘ [মেঘ্], দেশ [দেশ্], প্রেম [প্রেম্]।

৫. পদের অন্তস্থিত 'এ' ধ্বনি: বাংলা শব্দে পদের অন্তে বা শেষ অবস্থানে 'এ' ধ্বনি সর্বদা সংবৃত বা অবিকৃত [e] থাকে।
যেমন: পথে [পথে], ঘাটে [ঘাটে], মনে [মনে]।


অথবা, (খ) প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রমিত উচ্চারণ:
(যেকোনো পাঁচটি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য, এখানে সব কটি দেওয়া হলো)

১. অকৃতজ্ঞ = অকৃতগ্গোঁ
২. অতঃপর = অতপ্‌পর্
৩. আবশ্যক = আবোশ্‌শোক্
৪. চিহ্নিত = চিন্‌হিতো
৫. ঐকতান = ওইকোতান্‌
৬. শ্লেষ্মা = শ্লেঁশ্‌মা (বা স্লেঁশ্‌মা)
৭. প্রশ্ন = প্রোশ্‌নো
৮. জিহ্বা = জিউভা

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন