সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর বোর্ড ২০২২
সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
ইভটিজিং কী?
- খ)(2)
জঙ্গিবাদের সাথে দারিদ্র্যের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে? চিহ্নিত স্থান কোন সামাজিক সমস্যাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের সমস্যাটি সমাধানে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে। পারে বলে তুমি মনে কর? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণভাবে প্রকাশ্য বা জনসমক্ষে কোনো নারী বা বালিকাকে উদ্দেশ্য করে উত্ত্যক্ত করা, অশোভন অঙ্গভঙ্গি করা বা যৌন হয়রানি করাকে ইভটিজিং বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জঙ্গিবাদের প্রসারের পেছনে দারিদ্র্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণদের আর্থিক অসচ্ছলতা ও কর্মহীনতার সুযোগ নিয়ে জঙ্গি সংগঠনগুলো অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সহজেই দলে ভেড়ায়। অনেক সময় পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব বা উন্নত জীবনের আশায় অসচেতন পরিবারের যুবকেরা এসব বিপথগামী দলের খপ্পরে পড়ে। ফলে দারিদ্র্য সরাসরি জঙ্গিবাদের কারণ না হলেও অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানে 'মাদকাসক্তি' সামাজিক সমস্যাটিকে নির্দেশ করে।
মাদকাসক্তি হলো এমন এক ধরনের মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক নির্ভরতা, যেখানে ব্যক্তি ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য গ্রহণের প্রতি অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ অনুভব করে। উদ্দীপকে মাদকাসক্তির কয়েকটি অন্যতম প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে— কৌতুহলবশত অনেকেই প্রথম মাদক গ্রহণ করে, খারাপ সঙ্গদোষে জড়িয়ে পড়ে, জীবনের নানা হতাশা বা প্রেমে ব্যর্থতা ঢাকতে কিংবা সাময়িক মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার ভ্রান্ত আশায় মাদকে ঝুঁকে পড়ে। এই কারণগুলোর সম্মিলিত রূপ নির্দেশ করে যে প্রশ্নবোধক চিহ্নে 'মাদকাসক্তি' সমস্যাটিকেই বোঝানো হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সমস্যাটি হলো 'মাদকাসক্তি'। এই মারাত্মক সমস্যা সমাধানে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
১. সচেতনতা বৃদ্ধি: মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।
২. পারিবারিক ভূমিকা ও মানসিক সহায়তা: পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং সন্তানদের মানসিক চাপ বা হতাশার সময় পাশে থেকে কাউন্সেলিং প্রদান করা আবশ্যক।
৩. সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ: তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পর্যাপ্ত খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং গঠনমূলক বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. আইন প্রয়োগ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ: মাদকদ্রব্যের অবৈধ চোরাচালান, উৎপাদন ও বিক্রয় কঠোরভাবে বন্ধ করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারি বৃদ্ধি ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
৫. নিরাময় ও পুনর্বাসন: আক্রান্ত মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সঠিক চিকিৎসার জন্য আধুনিক মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থাপন এবং সমাজে তাদের স্বাভাবিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।উপযুক্ত পদক্ষেপগুলো সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাদকাসক্তির করাল গ্রাস থেকে ব্যক্তি ও সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও