ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
আসলাম শিকদার একজন কৃষক। তিনি এ বছর কয়েক বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। কিন্তু তার টমেটোর ক্ষেত থেকে প্রত্যাশিত ফসল না আসায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। এমতাবস্থায় তিনি একজন কৃষি অফিসারের পরামর্শ গ্রহণ করেন। কৃষি অফিসার তার ফসলি জমিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাঝে মাঝে তার সাথে পরামর্শ করতে বলেন।
- ক)(1)
আইনগত পরিবেশ কী?
- খ)(2)
কৃষিকাজ কোন ধরনের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত এবং কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায়ে কোন পরিবেশের উল্লেখ করা হয়োছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারই তার ব্যবসায়িক সফলতার চাবিকাঠি"- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবসায় পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশের সরকার প্রণীত আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও নীতিমালার সমষ্টিকে আইনগত পরিবেশ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কৃষিকাজ প্রজনন ও নিষ্কাশন/উৎপাদন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।
শিল্পের মাধ্যমে প্রকৃতিপ্রদত্ত সম্পদকে প্রক্রিয়াজাত করে মানুষের ব্যবহারোপযোগী পণ্যে রূপান্তর করা হয়। কৃষিকাজে মাটি, পানি ও আবহাওয়ার সহায়তায় বীজ রোপণ করে ফসল উৎপাদন ও নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করা হয়। যেহেতু এতে জীব ও উদ্ভিদের পুনরুৎপাদন ও প্রকৃতির সাহায্যে নতুন উপযোগ তৈরি হয়, তাই কৃষিকাজ প্রাথমিক বা প্রজনন ও উৎপাদন শিল্পের অন্তর্গত।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায়ে ব্যবসায় পরিবেশের 'প্রযুক্তিগত পরিবেশ' উপাদানটির উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞানের আবিষ্কার, আধুনিক কলাকৌশল, উন্নত যন্ত্রপাতি ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে, তাকে প্রযুক্তিগত পরিবেশ বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কৃষক আসলাম শিকদার কাঙ্ক্ষিত ফসল না পেয়ে কৃষি অফিসারের শরণাপন্ন হন। কৃষি অফিসার তাকে ফসলি জমিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত কৌশল ব্যবহার এবং তথ্যপ্রযুক্তির অংশ হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ ও পরামর্শ গ্রহণের কথা বলেন। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ প্রযুক্তিগত পরিবেশেরই প্রতিফলন। অতএব, উদ্দীপকে প্রযুক্তিগত পরিবেশের সুস্পষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারই তার ব্যবসায়িক সফলতার চাবিকাঠি"- বক্তব্যটি যথার্থ।
আধুনিক যুগে কৃষিকাজ কেবল সনাতন পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং এটি একটি আধুনিক বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর উদ্যোগে রূপান্তরিত হয়েছে। উন্নত বীজ, সুষম সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা, ফসল প্রক্রিয়াকরণ এবং সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণের ফলে কৃষি উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পায় এবং অপচয় কমে মুনাফা নিশ্চিত হয়।
উদ্দীপকে আসলাম শিকদার সনাতন বা গতানুগতিক চাষাবাদ করায় কাঙ্ক্ষিত টমেটো ফসল পাননি, ফলে তিনি ক্ষতির শঙ্কায় পড়েন। কিন্তু কৃষি অফিসারের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ গ্রহণ এবং ভিডিও কনফারেন্সের মতো ডিজিটাল মাধ্যমের মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের কৌশল জানতে পেরে তিনি চাষাবাদকে বিজ্ঞানসম্মত করতে সক্ষম হবেন। এর ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে, ফসলের মান ভালো হবে এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়া সম্ভব হবে।
সুতরাং, সনাতন ধারা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানসম্মত কলাকৌশল ব্যবহারের মাধ্যমেই আসলাম শিকদার তার কৃষিকাজে সফলতা অর্জন করতে পারবেন। অতএব, উক্তিটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও