যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

বিবৃতি-১: যুক্তিবিদ্যা চিন্তন ক্রিয়ার সাধারণ ও সার্বিক নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে। বিবৃতি-২: যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে এবং সত্য উদঘাটনের উদ্দেশ্যে ঐ নীতিসমূহ বাস্তব কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নীতিমালা সরবরাহ করে।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

    (1)
  2. খ)

    আকারগত সত্যতা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বিবৃতি-১ এ যুক্তিবিদ্যার কোন স্বরূপটি প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর,বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের সামগ্রিক দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিন্তার নিয়মাবলি যথাযথভাবে অনুসরণের মাধ্যমে যে সত্যতা অর্জিত হয়, তাকে আকারগত সত্যতা বলে।
    আকারগত সত্যতায় বাস্তব বিষয়ের সাথে কোনো ধারণার মিল রয়েছে কি না, তা বিচার করা হয় না; বরং যুক্তিটি নিয়মমাফিক গঠিত হয়েছে কি না এবং এর সিদ্ধান্তটি প্রদত্ত আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়েছে কি না, তা দেখা হয়। অর্থাৎ যুক্তির নিয়মাবলির সংগতি ও অসঙ্গতিহীনতাই আকারগত সত্যতার মূল ভিত্তি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের বিবৃতি-১ এ যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান রূপটি প্রকাশিত হয়েছে।

    বিজ্ঞান হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও প্রণালিবদ্ধ জ্ঞান। বিজ্ঞান কেবল তাত্ত্বিক নিয়মাবলি আবিষ্কার ও বিশ্লেষণ করে। উদ্দীপকের বিবৃতি-১ এ বলা হয়েছে, "যুক্তিবিদ্যা চিন্তন ক্রিয়ার সাধারণ ও সার্বিক নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে।" এটি যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক দিককে নির্দেশ করে।

    যুক্তিবিদ্যা চিন্তার মৌলিক নিয়মাবলি, যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নিরূপণের তাত্ত্বিক শর্তাবলি ইত্যাদি প্রণালিবদ্ধভাবে আলোচনা করে। যেহেতু এটি চিন্তার সার্বিক নিয়মাবলি আবিষ্কার ও তত্ত্বগতভাবে আলোচনা করে, তাই বিবৃতি-১ এ যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক রূপ বা বিজ্ঞান হিসেবে স্বরূপটি ফুটে উঠেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, আমি মনে করি বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের সামগ্রিক দিকটি অর্থাৎ বিজ্ঞান ও কলা উভয় রূপই ফুটে উঠেছে।

    বিবৃতি-২ তে বলা হয়েছে— যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার নীতিসমূহ আবিষ্কার করে এবং সত্য উদঘাটনের উদ্দেশ্যে ঐ নীতিসমূহ বাস্তব কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করার নীতিমালা সরবরাহ করে। এখানে যুক্তিবিদ্যার দুটি প্রধান দিকের কথাই উল্লিখিত হয়েছে।

    প্রথমত, যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল চিন্তার সাধারণ নিয়ম ও নীতিমালা আবিষ্কার ও সুশৃঙ্খলভাবে উপস্থাপন করে। এই তাত্ত্বিক ভূমিকার কারণে যুক্তিবিদ্যা একটি বিজ্ঞান। দ্বিতীয়ত, যুক্তিবিদ্যা কেবল তাত্ত্বিক নিয়ম আলোচনা করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং সত্য অর্জনের উদ্দেশ্যে সেই নিয়মাবলি বাস্তব চিন্তার ক্ষেত্রে এবং ভুল যুক্তি শনাক্তকরণে কীভাবে প্রয়োগ করতে হয়, তার কৌশল ও দিকনির্দেশনা প্রদান করে। কোনো নিয়মকে বাস্তব ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে প্রয়োগ করার বিদ্যাকে 'কলা' বলা হয়।

    সুতরাং বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক জ্ঞান (বিজ্ঞান) এবং এর বাস্তব প্রয়োগকৌশল (কলা)—উভয় বৈশিষ্ট্যই সমন্বিতভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। অতএব, বলা যায় যে বিবৃতি-২ এ যুক্তিবিদ্যার সামগ্রিক স্বরূপটি যথার্থভাবে ফুটে উঠেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন