পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারনে বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়ে যাচ্ছে। এ পরিবর্তন পৃথিবীর সকল স্থানে ভৌত,প্রাকৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ মানব গোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। কিন্তু এ পরিবর্তন নিছক প্রাকৃতিক নয় বরং এর বেশিরভাগই মানুষেরই সৃষ্টি।
- ক)(1)
বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী কারা?
- খ)(2)
ইভটিজিং বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার কারণ কী? তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
"এ পরিবর্তন নিছক প্রাকৃতিক নয় বরং এর বেশিরভাগ মানুষের সৃষ্টি"- তুমি কি এই উক্তিটির সাথে একমত? যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী হলো তারা, যাদের শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিভিত্তিক বা সংবেদনশীলতার সীমাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য বিশেষ সাহায্য বা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় (যেমন: প্রতিবন্ধী ব্যক্তি)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং বলতে কোনো নারী বা বালিকাকে প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অশালীন মন্তব্য, ইঙ্গিত, অঙ্গভঙ্গি বা কটূক্তি করে মানসিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি বা উত্ত্যক্ত করাকে বোঝায়। এটি একটি জঘন্য সামাজিক অপরাধ, যা নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদাহানি ঘটায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত নির্গমন ও পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড।
পাঠ্যবইয়ের আলোকে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC), নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি গ্রিনহাউস গ্যাস দায়ী। শিল্পবিপ্লবের পর থেকে অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও কলকারখানা স্থাপন, জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, গ্যাস) পোড়ানো, বন উজাড় বা বৃক্ষনিধন এবং বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে বায়ুমণ্ডলে এসব গ্যাসের আস্তরণ তৈরি হয়েছে। এই গ্যাসগুলো সূর্যের তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দিয়ে আটকে রাখে, ফলে পৃথিবীর সামগ্রিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় যা বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"এ পরিবর্তন নিছক প্রাকৃতিক নয় বরং এর বেশিরভাগ মানুষের সৃষ্টি"—উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।
প্রকৃতিতে স্বাভাবিক নিয়মে কিছু পরিবর্তন ঘটে থাকলেও বর্তমান বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান চালিকাশক্তি হলো মানুষের অবিবেচক ও ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড:
১. নির্বিচারে বন উজাড়: গাছপালা বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ভারসাম্য বজায় রাখে। কিন্তু মানুষের কৃষি, বসতি ও শিল্পের প্রয়োজনে বনভূমি ধ্বংসের ফলে কার্বনের মাত্রা বাড়ছে।
২. জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার: আধুনিক পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও কলকারখানায় অতিরিক্ত কয়লা ও তেল পোড়ানোর ফলে ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মুক্ত হচ্ছে।
৩. শিল্পায়ন ও বর্জ্য নির্গমন: আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফলে পরিবেশে ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ও মিথেন গ্যাস বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৪. ভোগবাদী মানসিকতা ও নগরায়ণ: মানুষের বিলাসী জীবনযাত্রার ফলে প্লাস্টিক বর্জ্য ও কৃত্রিম উপাদান বৃদ্ধি পেয়ে বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে।অতএব, প্রাকৃতিক কারণের চেয়ে মানবসৃষ্ট কারণগুলোই বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির পেছনে বহুলাংশে দায়ী।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও