ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
জনাব আজাদ সাংগু ব্যাংক, ঢাকা শাখায় একটি হিসাব খুলেছেন। তিনি উত্ত হিসাবে লেনদেনের সময় কাগুজে ডকুমেন্ট যেমন: রশিদ, চেক ব্যবহার করেন তার হিসাবে সবসময় পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ জমা থাকে। জনাব মজিদ কুশিয়ারা ব্যাংক রংপুর শাখায় একটি হিসাব খোলেন। তিনি ব্যাংক লেনদেনে কোনো কাগুজে ডকুমেন্ট ব্যবহার করেন না। তারা দুজনই স্বপরিবারে কক্সবাজারে বেড়াতে গেলেন যেখানে দুটি ব্যাংকেরই শাখা আছে। দুজনই সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় টাকা উত্তোলন করতে গেলেন। মজিদ যথাযথভাবে উত্তোলনে সমর্থন হন। আজাদ যথাযথ নিয়ম মেনে চেক উপস্থাপন করলেও অন্য শাখার চেক হওয়ায় ব্যাংক তাকে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানে ব্যর্থ হন।
- ক)(1)
B2C কী?
- খ)(2)
প্রতিবন্ধ অংশীদার বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কুশিয়ারা ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে? প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে সাংগু ব্যাংকের সেবা প্রদানের ব্যর্থতা দূরীকরণে করণীয় কী? যুক্তিসহ মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
B2C-এর পূর্ণরূপ হলো Business-to-Consumer, যার অর্থ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এবং চূড়ান্ত ভোক্তার মধ্যকার ইলেকট্রনিক লেনদেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে অংশীদারি ব্যবসায়ের অংশীদার নন, কিন্তু ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য অংশীদাররা তাকে অংশীদার হিসেবে পরিচয় দিলে তিনি তা মৌনভাবে মেনে নেন বা অস্বীকার করেন না, তাকে প্রতিবন্ধ অংশীদার (Partner by Estoppel) বলে।
এরূপ ব্যক্তি ব্যবসায়ের মূলধন বিনিয়োগ বা পরিচালনায় অংশ না নিলেও তৃতীয় পক্ষের কাছে তার আচরণ বা স্বীকৃতির জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকেন। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে কুশিয়ারা ব্যাংক প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে 'অনলাইন ব্যাংকিং' বা 'কোর ব্যাংকিং (CBS)' সেবা দিচ্ছে।
অনলাইন ব্যাংকিং হলো এমন একটি প্রযুক্তিভিত্তিক সমন্বিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যেখানে গ্রাহকের হিসাবের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। ফলে গ্রাহক নির্দিষ্ট কোনো শাখার ওপর নির্ভরশীল না থেকে যেকোনো শাখা, এটিএম বা ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব মজিদ কুশিয়ারা ব্যাংকের রংপুর শাখার গ্রাহক হয়েও কোনো কাগুজে দলিল ছাড়া কক্সবাজার শাখা থেকে সহজেই টাকা উত্তোলন করতে সক্ষম হন। শাখাগুলোর মধ্যে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তিগত সংযোগ (Centralized Online Banking) থাকার কারণেই দূরবর্তী শাখা থেকে গ্রাহক শনাক্তকরণ ও তাৎক্ষণিক অর্থ উত্তোলন সম্ভব হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সাংগু ব্যাংকের সেবা প্রদানের ব্যর্থতা দূরীকরণে সনাতনী কাগুজে ব্যবস্থার পরিবর্তে 'কোর ব্যাংকিং সমাধান' (CBS) বা কেন্দ্রীয় অনলাইন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার প্রবর্তন করা আবশ্যক।
আধুনিক ব্যাংকিংয়ে শাখাভিত্তিক হিসাব পরিচালনার সনাতন পদ্ধতি গ্রাহকসেবায় বড় বাধা সৃষ্টি করে। কেন্দ্রীয় সার্ভার ও আন্তঃশাখা নেটওয়ার্কিং থাকলে দেশের যেকোনো প্রান্তের শাখা থেকেই গ্রাহক সেবা পেতে পারেন।
উদ্দীপকে জনাব আজাদের হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্ত্বেও অন্য শাখার চেক হওয়ায় কক্সবাজার শাখা সেবা দিতে ব্যর্থ হয়। কারণ সাংগু ব্যাংক তখনো সনাতনী ধারায় পরিচালিত হচ্ছিল এবং এক শাখার তথ্যের সাথে অন্য শাখার অনলাইন সমন্বয় ছিল না।
এই ব্যর্থতা নিরসনে করণীয়সমূহ হলো:
১. কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার চালুকরণ, যাতে সকল শাখার হিসাব তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত থাকে।
২. 'এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং' (Any Branch Banking) চালু করা, যাতে যেকোনো শাখার চেক অন্য যেকোনো শাখায় তাৎক্ষণিক ভাঙানো যায়।
৩. ডেবিট কার্ড, এটিএম এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করা যাতে কাগুজে চেকের ওপর নির্ভরতা কমে।সুতরাং, তথ্যপ্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ ও অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করাই সাংগু ব্যাংকের ব্যর্থতা দূর করার একমাত্র বাস্তবসম্মত সমাধান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও