যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৭
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।
বিশিষ্ট পদের উদাহরণ-
- ক)(1)
শব্দ কত প্রকার?
- খ)(2)
ব্যাহতার্থক পদ কাকে বলে?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাক্যগুলোতে চিহ্নিত শব্দগুলো পদ নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে পদ ও শব্দের পার্থক্য নিরূপণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মূল উদ্দীপকটি ডাটাবেজে অনুপস্থিত ছিল। রাজশাহী বোর্ড ২০১৭-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সিলেবাস অনুযায়ী উদ্দীপকটিতে 'হায়!', 'সাবাশ!', 'এবং', 'কিন্তু' জাতীয় পদ-অযোগ্য ও সহ-পদযোগ্য শব্দ চিহ্নিত ছিল ধরে নিয়ে গ ও ঘ-এর উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে। | Assumed target words (not original markings): পদ-অযোগ্য শব্দ (হায়!, আহা!), সহ-পদযোগ্য শব্দ (এবং, কিন্তু)
যুক্তিবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দ প্রধানত ৩ প্রকার। যথা: ১. পদযোগ্য শব্দ, ২. সহ-পদযোগ্য শব্দ এবং ৩. পদ-অযোগ্য শব্দ।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মূল উদ্দীপকটি ডাটাবেজে অনুপস্থিত ছিল। রাজশাহী বোর্ড ২০১৭-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সিলেবাস অনুযায়ী উদ্দীপকটিতে 'হায়!', 'সাবাশ!', 'এবং', 'কিন্তু' জাতীয় পদ-অযোগ্য ও সহ-পদযোগ্য শব্দ চিহ্নিত ছিল ধরে নিয়ে গ ও ঘ-এর উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে। | Assumed target words (not original markings): পদ-অযোগ্য শব্দ (হায়!, আহা!), সহ-পদযোগ্য শব্দ (এবং, কিন্তু)
যে পদ কোনো বস্তুর এমন একটি গুণের বর্তমান অনুপস্থিতি নির্দেশ করে, যা তার মধ্যে স্বাভাবিক নিয়মে থাকা উচিত ছিল বা অতীতে উপস্থিত ছিল, তাকে ব্যাহতার্থক পদ (Privative term) বলে। যেমন: 'অন্ধ', 'বধির', 'বোবা' ইত্যাদি (যেহেতু মানুষের স্বাভাবিক অবস্থায় দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি থাকা স্বাভাবিক, তাই এর অনুপস্থিতি ব্যাহতার্থতা প্রকাশ করে)।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মূল উদ্দীপকটি ডাটাবেজে অনুপস্থিত ছিল। রাজশাহী বোর্ড ২০১৭-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সিলেবাস অনুযায়ী উদ্দীপকটিতে 'হায়!', 'সাবাশ!', 'এবং', 'কিন্তু' জাতীয় পদ-অযোগ্য ও সহ-পদযোগ্য শব্দ চিহ্নিত ছিল ধরে নিয়ে গ ও ঘ-এর উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে। | Assumed target words (not original markings): পদ-অযোগ্য শব্দ (হায়!, আহা!), সহ-পদযোগ্য শব্দ (এবং, কিন্তু)
[অনুপস্থিত উদ্দীপকজনিত শর্তসাপেক্ষ সমাধান: ধরা যাক উদ্দীপকে 'হায়!' বা 'এবং/কিন্তু'-এর মতো পদ-অযোগ্য বা সহ-পদযোগ্য শব্দ চিহ্নিত করা ছিল।]
উদ্দীপকে চিহ্নিত শব্দগুলো পদ না হওয়ার কারণ হলো তাদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হওয়ার যোগ্যতাহীনতা।
যুক্তিবিদ্যায় কেবলমাত্র সেই শব্দ বা শব্দসমষ্টিকে 'পদ' (Term) বলা হয়, যা কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য (Subject) অথবা বিধেয় (Predicate) হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা হওয়ার যোগ্যতা রাখে। ব্যাকরণের দৃষ্টিতে অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টিই শব্দ, কিন্তু যুক্তিবিদ্যায় সব শব্দ পদ হতে পারে না।
উদ্দীপকের চিহ্নিত শব্দগুলো মূলত পদ-অযোগ্য শব্দ (যেমন: আনন্দ, বেদনা বা বিস্ময়সূচক অব্যয় 'হায়!', 'আহা!') কিংবা সহ-পদযোগ্য শব্দ (যেমন: সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় 'এবং', 'অথবা')। পদ-অযোগ্য শব্দ কখনো কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে না এবং সহ-পদযোগ্য শব্দ অন্য কোনো পদযোগ্য শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজে স্বাধীনভাবে উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে না। সুতরাং, যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় হওয়ার শর্ত পূরণ না করায় চিহ্নিত শব্দগুলো পদ নয়।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মূল উদ্দীপকটি ডাটাবেজে অনুপস্থিত ছিল। রাজশাহী বোর্ড ২০১৭-এর যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সিলেবাস অনুযায়ী উদ্দীপকটিতে 'হায়!', 'সাবাশ!', 'এবং', 'কিন্তু' জাতীয় পদ-অযোগ্য ও সহ-পদযোগ্য শব্দ চিহ্নিত ছিল ধরে নিয়ে গ ও ঘ-এর উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে। | Assumed target words (not original markings): পদ-অযোগ্য শব্দ (হায়!, আহা!), সহ-পদযোগ্য শব্দ (এবং, কিন্তু)
উদ্দীপকের আলোকে শব্দ ও পদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যগুলো নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. ধারণাগত পরিধি: সব পদই শব্দ, কিন্তু সব শব্দ পদ নয়। ব্যাকরণে অর্থপূর্ণ যেকোনো ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিই শব্দ; পক্ষান্তরে যুক্তিবিদ্যায় কেবল উদ্দেশ্য বা বিধেয় হওয়ার যোগ্য শব্দই পদ।
২. প্রকারভেদগত অবস্থান: শব্দ তিন প্রকার— পদযোগ্য, সহ-পদযোগ্য ও পদ-অযোগ্য। এর মধ্যে কেবলমাত্র পদযোগ্য শব্দই সরাসরি পদ হতে পারে। সহ-পদযোগ্য ও পদ-অযোগ্য শব্দ পদ নয়।
৩. গঠন ও ব্যবহার: শব্দের একক ব্যবহারে কোনো যৌক্তিক কাঠামোর প্রয়োজন হয় না; মনের যেকোনো ভাব বা আবেগ প্রকাশের মাধ্যমেই শব্দ প্রযুক্ত হতে পারে। কিন্তু পদ হতে হলে অবশ্যই একটি দ্বিপদী যুক্তিবাক্যের (উদ্দেশ্য-বিধেয় সম্পর্কযুক্ত) উপাদান হতে হবে।
৪. অর্থ প্রকাশে স্বকীয়তা: সহ-পদযোগ্য শব্দ অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে পূর্ণ অর্থ দেয় না এবং পদ-অযোগ্য শব্দ কেবল মানসিক অনুভূতি ব্যক্ত করে। কিন্তু পদের একটি নিশ্চিত ও বস্তুনিষ্ঠ অর্থ থাকে।সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকে ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে শব্দ হলেও যৌক্তিক কাঠামোর বিচারে উদ্দেশ্য-বিধেয় হতে অক্ষম হওয়ায় সেগুলো পদ নয়। এভাবেই শব্দ ও পদের ধারণাগত ও কার্যগত পার্থক্য নির্ধারিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও