ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

ডায়মন্ড কোম্পানিতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিনড়ব পরীক্ষার ভিত্তিতে শূন্য পদের বিপরীতে নতুন কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ করা হয়। নিয়োগকৃতদের প্রতিষ্ঠানের কার্যসম্পাদন দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন পদে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল উৎপাদন কৌশলের সাথে তাল মিলানোর জন্য এই পদ্ধতি যথেষ্ট হচ্ছে না ফলে প্রতিষ্ঠানটির দক্ষতা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় হ্রাস পাচ্ছে।

  1. ক)

    কর্মী সংগ্রহ কী?

    (1)
  2. খ)

    সংগঠনে কার্যবিভাজন অপরিহার্য কেন?

    (2)
  3. গ)

    ডায়মন্ড কোম্পানিতে প্রশিক্ষণের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে প্রতিষ্ঠানটির দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য করণীয় বিষয় বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের বিপরীতে যোগ্য ও দক্ষ কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আবেদন করতে উৎসাহিত ও আকৃষ্ট করার প্রক্রিয়াকে কর্মী সংগ্রহ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কাজের গতিশীলতা আনয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শ্রমবিভাগের সুফল পাওয়ার জন্য সংগঠনে কার্যবিভাজন অপরিহার্য।

    প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কাজকে প্রকৃতি অনুযায়ী ছোট ছোট অংশে বা বিভাগে ভাগ করাই হলো কার্যবিভাজন। এটি করা হলে প্রত্যেক কর্মী তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব বারবার সম্পাদনের মাধ্যমে বিশেষ দক্ষতা ও পারদর্শিতা অর্জন করতে পারে। ফলে কাজের অপচয় ও দ্বৈততা কমে যায় এবং প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন সহজতর হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ডায়মন্ড কোম্পানিতে কাজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত 'পদ পরিবর্তন' বা 'পদ আবর্তন' (Job Rotation) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

    যে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে একজন কর্মীকে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদে বা বিভাগে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করে একাধিক কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সার্বিক কার্যসম্পাদন দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ দেওয়া হয়, তাকে পদ পরিবর্তন বা পদ আবর্তন পদ্ধতি বলে। এটি কাজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম কৌশল।

    উদ্দীপকে ডায়মন্ড কোম্পানি নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের কার্যসম্পাদন দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'বিভিন্ন পদে স্থানান্তর' করে থাকে। এক পদ থেকে অন্য পদে বা কাজে সরিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার এই কৌশলটিই পদ আবর্তন বা পদ পরিবর্তন পদ্ধতিকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আলোকে প্রতিষ্ঠানটির দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য শুধু কাজের মাধ্যমে পদ পরিবর্তন পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে আধুনিক ও প্রযুক্তিগত অফ-দ্য-জব (কাজের বাইরে) প্রশিক্ষণ পদ্ধতি গ্রহণ করা আবশ্যক।

    প্রশিক্ষণ হলো কর্মীদের কার্যসম্পাদন সংক্রান্ত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির একটি প্রক্রিয়া। আধুনিক ও পরিবর্তনশীল উৎপাদন কৌশলের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য কর্মীদের গভীর তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক জ্ঞান প্রয়োজন, যা শুধু এক পদ থেকে অন্য পদে বদলি করার মাধ্যমে অর্জিত হয় না। এর জন্য বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতির সমন্বয় অপরিহার্য।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, ডায়মন্ড কোম্পানি কর্মীদের বিভিন্ন পদে স্থানান্তর করে প্রশিক্ষণ দেয়, কিন্তু প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে এ পদ্ধতি যথেষ্ট হচ্ছে না। ফলে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে।

    দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিষ্ঠানটির করণীয়সমূহ হলো:
    ১. কাজের বাইরে প্রশিক্ষণ (Off-the-job training) যেমন- সেমিনার, কর্মশালা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের উপর আনুষ্ঠানিক ক্লাসরুম প্রশিক্ষণ এবং কৃত্রিম পরিবেশ বা ভেস্টিবিউল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা।
    ২. পরিবর্তনশীল উৎপাদন কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিশেষায়িত ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ প্রদান।
    ৩. কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং দক্ষ ট্রেইনার দ্বারা নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

    সুতরাং, ডায়মন্ড কোম্পানির বর্তমান ঘাটতি দূর করে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা পুনরুদ্ধার ও বৃদ্ধির জন্য আধুনিক ও কার্যকর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করাই প্রধান করণীয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন