পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
৫ মার্চ, ২০১৩ লোকান্তরিত হয়েছেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ। তিনি প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখছেন। তবে প্রকৃত গণতন্ত্রকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রয়োজন আইনকে সকলের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা, নাগরিকদের স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া। নাগরিকদের মতামত ব্যতীত প্রকৃত গণতন্ত্র বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
- ক)(1)
অধিকার বলতে কী বোঝ?
- খ)(2)
রাজনৈতিক নেতৃত্ব বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসনব্যবস্থার সাফল্যের শর্তাবলি আলোচনা কর।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশে উক্ত শাসনব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য একান্ত আবশ্যক।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রাজনৈতিক দল বা রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে জনগণকে সংগঠিত করা, সুস্পষ্ট লক্ষ্য বা আদর্শের ভিত্তিতে দিকনির্দেশনা প্রদান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব সফলভাবে পালন করার বিশেষ গুণ ও দক্ষতাকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব বলে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব রাষ্ট্র ও সমাজের সমস্যা চিহ্নিত করে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত শাসনব্যবস্থা হলো 'গণতন্ত্র'। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সাফল্যের প্রধান শর্তাবলি নিচে আলোচনা করা হলো:
১. আইনের শাসন ও সমতা: আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং আইনের দ্বারা সমভাবে সুরক্ষিত থাকার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। উদ্দীপকেও আইনের সমান প্রয়োগের গুরুত্ব বলা হয়েছে।
২. মত প্রকাশের স্বাধীনতা: নাগরিকদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের অধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শর্ত।
৩. জনসচেতনতা ও শিক্ষা: নাগরিক সচেতনতা এবং শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল জনগোষ্ঠী সফল গণতন্ত্রের ভিত্তি।
৪. পরমতসহিষ্ণুতা ও নিরপেক্ষ নির্বাচন: পরমতসহিষ্ণু মনোভাব এবং নিয়মিত, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনমতের প্রতিফলন ঘটানো।
৫. স্বাধীন বিচার বিভাগ: জনগণের মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসন সুরক্ষায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগের উপস্থিতি আবশ্যক। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসনব্যবস্থাটি হলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রের কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর পথে কিছু সীমাবদ্ধতা ও সাফল্য দুটোই বিদ্যমান।
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে। নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া, স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় জনগণের অংশগ্রহণ এবং নাগরিকদের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ইতিবাচক দিক।
তবে বাস্তবে এর পূর্ণ কার্যকারিতায় কিছু বাধা রয়েছে:
১. রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক পরমতসহিষ্ণুতার অভাব ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।
২. প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও সুশাসনের ঘাটতি।
৩. নাগরিক অধিকার ও স্বাধীন মত প্রকাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা।সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশে সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত থাকলেও, এর কার্যকারিতাকে সফল ও টেকসই করতে আইনের শাসনের সুদৃঢ় বাস্তবায়ন, অবাধ মতপ্রকাশ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা নিশ্চিত করা জরুরি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও