‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

'ক' একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেত্রী। তিনি অতি সহজেই প্রজ্ঞার মাধ্যমে জনগণকে আকৃষ্ট করতে পারেন। জনগণ তাকে অন্যের মতোন বিশ্বাস করেন।

  1. ক)

    রাজনৈতিক দল কী?

    (1)
  2. খ)

    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক'-এর নেতৃত্বের ধরন ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক'-এর গুণাবলি ব্যতীত নেতৃত্বের আর কী কী গুণাবলি থাকতে পারে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাজনৈতিক দল হলো এমন একটি সুসংগঠিত জনসমষ্টি, যা সুনির্দিষ্ট নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জন বা পরিচালনায় সচেষ্ট থাকে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক ধরনের স্বার্থগোষ্ঠী, যা প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল বা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। এরা মূলত নিজস্ব শ্রেণিগত বা পেশাগত স্বার্থ সুরক্ষায় লবিং, প্রচারণা ও আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের ওপর মানসিক ও রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক'-এর মধ্যে সম্মোহনী বা কারিশম্যাটিক (Charismatic) নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।

    যে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নেতা তাঁর ব্যক্তিগত আকর্ষণ, গভীর প্রজ্ঞা, অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য ও অলৌকিক বা বিশেষ ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে জনগণকে সম্মোহিত বা মুগ্ধ করে অনুসারী করে তোলেন, তাকে সম্মোহনী নেতৃত্ব বলে। এ ধরনের নেতৃত্বে জনগণ কোনো যুক্তিতর্ক ছাড়াই নেতাকে অন্ধের মতো বা অবিচলভাবে বিশ্বাস ও অনুসরণ করে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, রাজনৈতিক নেত্রী 'ক' তাঁর প্রজ্ঞার দ্বারা সহজেই জনগণকে আকৃষ্ট করতে পারেন এবং সাধারণ জনগণ তাঁকে গভীর আস্থার সাথে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। এটি পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের সম্মোহনী বা কারিশম্যাটিক নেতৃত্বের ধারণাকে প্রতিফলিত করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'ক'-এর প্রজ্ঞা ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মতো সম্মোহনী গুণাবলির কথা বলা হয়েছে। তবে একজন আদর্শ ও সফল নেতার মধ্যে কেবল সম্মোহনী ব্যক্তিত্বই যথেষ্ট নয়; পাঠ্যবইয়ের আলোকে নেতৃত্বের আরও বহুবিধ গুণাবলি থাকা আবশ্যক। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. সততা ও নিষ্ঠা: নেতার অন্যতম প্রধান গুণ হলো ব্যক্তিগত সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা, যা অনুসারীদের মধ্যে নৈতিক আস্থার সৃষ্টি করে।
    ২. দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞা: ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি অনুধাবন করে সঠিক সময়ে যথাযথ ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেতার অপরিহার্য গুণ।
    ৩. সহনশীলতা ও ধৈর্য: প্রতিকূল পরিস্থিতি শান্তভাবে মোকাবিলা করা এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা একজন যোগ্য নেতার লক্ষণ।
    ৪. যোগাযোগ দক্ষতা ও বাগ্মিতা: সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা এবং নিজের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে অনুপ্রাণিত করার দক্ষতা থাকা দরকার।
    ৫. দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যবোধ: নিজের কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের দায় বহন করার মানসিকতা এবং জনকল্যাণে আত্মনিয়োগের প্রত্যয় থাকতে হয়।
    ৬. নিরপেক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতা: দল-মত নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমদৃষ্টি ও সুবিচার নিশ্চিত করার গুণাবলী থাকা উচিত।

    সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত সম্মোহনী গুণের পাশাপাশি সততা, দূরদর্শিতা, সহনশীলতা, দায়িত্ববোধ ও নিরপেক্ষতার মতো গুণাবলির সমন্বয়েই একজন নেতা পরিপূর্ণ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন