জীববিজ্ঞান ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
জীববিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
সক্রিয় শোষণ কী?
- খ)(2)
ইকোলজিক্যাল পিরামিড বলতে কী বুঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র M এর বিকাশ বর্ণনা কর।
- ঘ)(4)
উদ্ভিদে ফল ও বীজ তৈরিতে উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র দুটির প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে শোষণ প্রক্রিয়ায় বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োগ ঘটে এবং খনিজ লবণ বা আয়ন ঘনত্বের নতির বিপরীতে শোষিত হয়, তাকে সক্রিয় শোষণ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইকোসিস্টেমের খাদ্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন ট্রফিক স্তরের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক (যেমন- সংখ্যা, জীবভর বা শক্তির পরিমাণ) যখন ক্রমানুসারে একটি ত্রিভুজাকার বা পিরামিড সদৃশ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়, তখন তাকে ইকোলজিক্যাল পিরামিড বলে। এর ভিত্তি বা নিচের স্তরে থাকে উৎপাদক এবং ক্রমান্বয়ে উপরের দিকে বিভিন্ন স্তরের খাদক অবস্থান করে শীর্ষ খাদক পর্যন্ত পৌঁছায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র M হলো একটি পরিণত ভ্রূণথলি (স্ত্রী গ্যামিটোফাইট)। এর বিকাশ নিচে বর্ণনা করা হলো:
১. স্ত্রী রেণু মাতৃকোষ (2n) মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) স্ত্রী রেণু তৈরি করে। সাধারণত তিনটি বিনষ্ট হয়ে যায় এবং একটি কার্যকর থাকে।
২. এই কার্যকর স্ত্রী রেণুই স্ত্রী গ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ। এর হ্যাপ্লয়েড নিউক্লিয়াসটি প্রথমবার মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং কোষের দুই বিপরীত মেরুতে অবস্থান নেয়।
৩. এরপর প্রতিটি মেরুর নিউক্লিয়াসটি পরপর আরও দুবার মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে উভয় মেরুতে ৪টি করে মোট ৮টি নিউক্লিয়াস গঠন করে।
৪. পরবর্তীতে উভয় মেরু থেকে একটি করে নিউক্লিয়াস ভ্রূণথলির কেন্দ্রে চলে এসে একত্রিত হয় এবং এদের পোলার নিউক্লিয়াস বা সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস বলে।
৫. ডিম্বক রন্ধ্রের দিকের তিনটি নিউক্লিয়াস সাইটোপ্লাজমসহ একত্রিত হয়ে গর্ভযন্ত্র (Egg apparatus) গঠন করে; যার মাঝের বড়টি ডিম্বাণু এবং পাশের দুটি সহকারী কোষ।
৬. বিপরীত মেরুর (ডিম্বক মূলের দিকের) তিনটি নিউক্লিয়াসকে প্রতিপাদ কোষ (Antipodal cells) বলা হয়। এভাবে একটি পরিণত ভ্রূণথলি বা চিত্র M বিকশিত হয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র M হলো স্ত্রী গ্যামিটোফাইট (ভ্রূণথলি) এবং চিত্র N হলো অঙ্কুরিত পরাগরেণু বা পুং গ্যামিটোফাইট। সপুষ্পক উদ্ভিদে ফল ও বীজ উৎপাদনে এ দুটি কাঠামোর গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
১. নিষেক ক্রিয়া সম্পাদন: চিত্র N (পুং গ্যামিটোফাইট) থেকে পরাগনালির মাধ্যমে দুটি পুং গ্যামেট ডিম্বকের ভ্রূণথলিতে (চিত্র M) পৌঁছায়। একটি পুং গ্যামেট ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট তৈরি করে।
২. বীজ গঠন: জাইগোট ক্রমাগত বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণে পরিণত হয়। পাশাপাশি অন্য পুং গ্যামেটটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে (দ্বি-নিষেক) ট্রিপ্লয়েড শস্যকলা (Endosperm) তৈরি করে, যা বিকাশমান ভ্রূণের পুষ্টি সরবরাহ করে। নিষেকের পর সমগ্র ডিম্বকটি রূপান্তরিত হয়ে বীজে পরিণত হয়।
৩. ফল গঠন: নিষেকের উদ্দীপনায় গর্ভাশয় হরমোনের প্রভাবে বৃদ্ধি পেয়ে রসালো ও পরিপক্ব হয়ে ফলে রূপান্তরিত হয়। ফল ও বীজের বিকাশ চিত্র M ও চিত্র N-এর পারস্পরিক সফল মিলন তথা নিষেকের ওপরই সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।
৪. বংশবৃদ্ধি ও প্রজাতি সংরক্ষণ: ফল ও বীজ উৎপন্ন না হলে সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন প্রজনন ব্যাহত হতো এবং উদ্ভিদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হতো।সুতরাং, উদ্ভিদে ফল ও বীজ সৃষ্টির মৌলিক ভিত্তি হলো চিত্র M এবং চিত্র N-এর সমন্বিত ভূমিকা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও