যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
সানইয়াদ ঢাকা ডেন্টাল কলেজে অধ্যয়নকালে দাঁতের সুরক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তত্ত্ব ও নিয়মাবলি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে। পরবর্তীতে সে একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করে রোগীদের দাঁতের ফিলিং ও স্কেলিংসহ বিভিন্ন কাজ করে সুনাম অর্জন করে।
- ক)(1)
অনুমান কী?
- খ)(2)
যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো ।
- গ)(3)
সানইয়াদের বিভিন্ন তত্ত্ব শেখার মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটি প্রকাশ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের আলোকে সানইয়াদের কৃতকর্মের মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জানা বা জ্ঞাত সত্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো অজানা বা অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হওয়ার মানসিক প্রক্রিয়াকে অনুমান বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শ বা মানদণ্ডকে সামনে রেখে যুক্তি পদ্ধতির বৈধতা বিচার করে, তাই একে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়। যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্য হলো সত্য অর্জন এবং মিথ্যাকে বর্জন করা। এই আদর্শ বা লক্ষ্য হিসেবে যুক্তিবিদ্যা 'সত্য'-কে মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করে সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। যেসব বিজ্ঞান কোনো আদর্শকে ভিত্তি করে বিষয়বস্তু মূল্যায়ন করে, তাদের আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে; সে অর্থে যুক্তিবিদ্যা একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সানইয়াদের বিভিন্ন তত্ত্ব শেখার মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যার 'বিজ্ঞান' দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
বিজ্ঞান হলো কোনো বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ তাত্ত্বিক জ্ঞান। যুক্তিবিদ্যাও একটি বিজ্ঞান, কারণ এটি সঠিক চিন্তার সাধারণ নিয়ম ও শর্তাবলি নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা করে এবং সত্যের নিয়মাবলি আবিষ্কার ও প্রণয়ন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সানইয়াদ ঢাকা ডেন্টাল কলেজে অধ্যয়নকালে দাঁতের সুরক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তাত্ত্বিক নিয়মাবলি ও তত্ত্ব সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে। এটি পুরোপুরি তত্ত্বগত জ্ঞান অর্জনের একটি প্রক্রিয়া। যুক্তিবিদ্যার দুটি দিক রয়েছে—বিজ্ঞান ও কলা। বিজ্ঞান অংশটি যেমন কোনো বিষয়ের অন্তর্নিহিত তত্ত্ব, নীতি ও নিয়ম সম্পর্কে জ্ঞান দেয়, সানইয়াদও তেমনি দাঁতের চিকিৎসার তাত্ত্বিক নিয়মাবলি আত্মস্থ করেছে। অতএব, সানইয়াদের তত্ত্ব শেখার প্রক্রিয়ায় যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান রূপটি প্রতিফলিত হয়েছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের আলোকে সানইয়াদের কৃতকর্ম যুক্তিবিদ্যাকে ‘কলা’ ও ‘বিজ্ঞান’ উভয় রূপেই সার্থকভাবে মূল্যায়ন করে।
যুক্তিবিদ্যা কেবল তাত্ত্বিক নিয়ম শেখায় না (বিজ্ঞান), বরং সেই নিয়মগুলোকে কীভাবে বাস্তব চিন্তায় ও যুক্তি মূল্যায়নে সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হয় তাও শেখায় (কলা)। যে বিদ্যা কোনো নিয়মকে বাস্তব ক্ষেত্রে দক্ষভাবে প্রয়োগের কৌশল নির্দেশ করে, তাকে কলা বলা হয়। যুক্তিবিজ্ঞানীরা (যেমন যোসেফ, অলড্রিচ প্রমুখ) যুক্তিবিদ্যাকে বিজ্ঞান ও কলা উভয় হিসেবেই গণ্য করেছেন।
উদ্দীপকে সানইয়াদ প্রথমে দাঁতের সুরক্ষা সম্পর্কিত তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করে (যা বিজ্ঞানের নির্দেশক)। পরবর্তীতে সে অর্জিত সেই তাত্ত্বিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করে এবং দাঁতের ফিলিং ও স্কেলিংসহ নানাবিধ ব্যবহারিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করে সুনাম অর্জন করে। এটি ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক নিয়মের বাস্তব প্রয়োগ, যা কলার নির্দেশক।
অতএব, যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের দৃষ্টিকোণ থেকে সানইয়াদ যেমন তত্ত্ব শিখেছে (বিজ্ঞান), তেমনি বাস্তবে তা প্রয়োগ করে মানুষের সেবা দিয়েছে (কলা)। সুতরাং, সানইয়াদের কৃতকর্ম প্রমাণ করে যে জ্ঞান ও প্রয়োগের সমন্বয়ে যুক্তিবিদ্যা যুগপৎ বিজ্ঞান ও কলা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও