বাংলা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৬
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
উদ্দীপক (i) পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও,
তার মতো সুখ কোথাও কী আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও।
উদ্দীপক (ii) যতো বড়ই ঝড় আসুক না কেন
পাখির নীড়ে ঝরা পালকের মতো
শেষটায় কিছু না কিছু থেকে যায়
এবং থেকে যাওয়াটাই জীবন।
- ক)(1)
কতলোক নিমগাছের কচি ডালগুলো চিবোয় কেন?
- খ)(2)
কবি নিমগাছের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপক (i) এ ‘নিমগাছ’ গল্পের প্রতিফলিত দিকটি ব্যাখ্যা করো。
- ঘ)(4)
“উদ্দীপক (ii) এর ভাবার্থ ‘নিমগাছ’ গল্পেও বিদ্যমান”—মূল্যায়ন করো。
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
কতলোক নিমগাছের কচি ডালগুলো দাঁতন হিসেবে ব্যবহারের জন্য চিবোয়।
- খ)
কবি নিমগাছের ফুল ও পাতার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছিলেন। অন্যরা নিমগাছকে শুধু ওষুধ বা দাঁতন হিসেবে প্রয়োজনের দৃষ্টিতে দেখত। কবির চোখ ছিল সৌন্দর্যের প্রতি। তিনি গাছটির রূপ, ফুলের থোকা ও সবুজ পাতা দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলেন।
- গ)
উদ্দীপক (i)-এ বলা হয়েছে, নিজের স্বার্থ ভুলে পরের জন্য জীবন, মন সব দান করার মধ্যেই সুখ। এটি 'নিমগাছ' গল্পের পরার্থপরতা ও নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের দিকটিকে প্রতিফলিত করে।
১. নিমগাছ নিজের কচি ডাল, পাতা ও ছাল সবই মানুষের উপকারে দেয়। কেউ দাঁতন করে, কেউ ঘা বা অসুখের চিকিৎসায় ব্যবহার করে।
২. গাছটি এর বিনিময়ে কিছু চায় না। উদ্দীপকের মতোই সে নিজের স্বার্থের কথা ভাবে না।
৩. নিঃস্বার্থ সেবাই এখানে মূল সুর।তাই উদ্দীপক (i) নিমগাছের পরার্থপরতা প্রতিফলিত করে।
- ঘ)
মন্তব্যটি আংশিক যথার্থ। উদ্দীপক (ii)-এর ভাবার্থ হলো ঝড়ে সব ক্ষতি হলেও কিছু না কিছু থেকে যায় এবং এ থেকে যাওয়াই জীবন, অর্থাৎ টিকে থাকার শক্তি। 'নিমগাছ' গল্পেও এ ভাব আছে।
১. টিকে থাকা: মানুষ নিমগাছের ডাল, পাতা ছিঁড়ে নেয়, তবু গাছটি মরে না। সে বেঁচে থাকে এবং আবার নতুন পাতা ও ফুল ধরে।
২. অবিরাম দান: সবকিছু হারিয়েও নিমগাছ সবার জন্য নিজেকে উজাড় করে দেয়, যা জীবনের টিকে থাকার শক্তি।
৩. ভিন্নতা: গল্পে মূল সুর হলো নিমগাছের নিঃস্বার্থ দান ও মানুষের তাকে শুধু ব্যবহার করার প্রবণতা। উদ্দীপক (ii)-এ আছে জীবনের স্থায়িত্বের কথা।সুতরাং, গল্পে প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থাকার ভাব আছে। তাই মন্তব্যটি মূলত যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও