বাংলা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৫

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

8.

(ক) কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি রচনা কর।অথবা,(খ) 'খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার' শীর্ষক একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।

(ক) কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে দিনলিপি:

১০ জুলাই, ২০২৪
রাত ১০:৩০ মিনিট
ঢাকা।

আজ আমার জীবনের একটি অত্যন্ত স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। দীর্ঘদিনের পরিচিত বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে আজ আমি কলেজ জীবনের আঙিনায় প্রথম পা রাখলাম। সকালে পরিপাটি পোশাকে যখন কলেজের মূল ফটকে পৌঁছাই, তখন বুকের ভেতর অদ্ভুত এক উত্তেজনা ও আনন্দ কাজ করছিল। নতুন পরিবেশ, সম্পূর্ণ অচেনা সহপাঠী আর বিশাল ক্যাম্পাসের আবহ আমাকে মুগ্ধ করে।

বেলা এগারোটায় শুরু হয় নবীনবরণ অনুষ্ঠান। অধ্যক্ষ মহোদয় ও শিক্ষকদের প্রেরণাদায়ী বক্তব্য আমাদের নতুনভাবে উদ্দীপিত করে। ক্লাসে প্রথম শিক্ষকদের সাথে পরিচয় এবং তাঁদের স্নেহপূর্ণ দিকনির্দেশনা মনের সকল জড়তা ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করে দেয়। কয়েকজন নতুন সহপাঠীর সাথেও চমৎকার বন্ধুত্ব গড়ে উঠল। কলেজের প্রথম দিনের এই নতুন অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং স্বাধীনতার আনন্দ আমার স্মৃতিতে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।


অথবা,

(খ) 'খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার' শীর্ষক প্রতিবেদন:

তারিখ: ১৫ অক্টোবর, ২০২৪
বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক ইত্তেফাক
৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা।

বিষয়: 'খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার' শীর্ষক প্রতিবেদন।

জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের নিমিত্তে 'খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার' সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন নিচে পেশ করছি।

খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার

বর্তমানে আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম মারাত্মক ও উদ্বেগজনক সমস্যা হলো খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল। একশ্রেণির অতিমুনাফালোভী ও বিবেকহীন ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় মানুষের জীবন নিয়ে বিপজ্জনক খেলায় মেতে উঠেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল থেকে শুরু করে দুধ, ফলমূল, মাছ, মাংস ও মিষ্টিজাতীয় খাবারে অবাধে মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত কেমিক্যাল, ফরমালিন, কার্বাইড ও কৃত্রিম রঙ।

ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে মানবদেহে বাসা বাঁধছে ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হৃদরোগ ও যকৃতের মতো মরণব্যাধি। বিশেষ করে শিশুরা ভেজাল খাদ্যের বিষক্রিয়ায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা একটি জাতির ভবিষ্যৎকেই বিপন্ন করে তুলছে।

প্রতিকারের উপায়:
১. নিরাপদ খাদ্য আইন কঠোরভাবে কার্যকর করা এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।
২. নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং বিএসটিআই ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা।
৩. খাদ্যে রাসায়নিকের অবৈধ আমদানি ও বিক্রয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।
৪. গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে ভোক্তা ও বিক্রেতা উভয় শ্রেণির মধ্যে নৈতিকতাবোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

খাদ্যে ভেজাল রোধ কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়; সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধ ও সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমেই কেবল জাতিকে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

প্রতিবেদকের নাম: আহমেদ তৌহিদ
প্রতিবেদনের ধরন: সংবাদ প্রতিবেদন
স্থান: বরিশাল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন