বাংলা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

2.

(ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।অথবা,(খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখ:বিদ্রূপ, আগন্তক, আইনজীবি, পরিস্কার, ইতিপূর্বে, মনিষী, মূহূর্ত, মন্ত্রীসভা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

স্পষ্ট অনুমান: পরীক্ষার প্রশ্নে 'বিদ্রূপ' শব্দটি শুদ্ধ রূপেই মুদ্রিত ছিল অথবা ভুলবশত মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে এসেছিল; এর সঠিক তৎসম রূপ 'বিদ্রূপ' বজায় রাখা হয়েছে।

(ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ নিচে দেওয়া হলো:

১. হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের ব্যবহার: যেসব তৎসম শব্দে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উভয় স্বর (ই/ঈ বা উ/ঊ) অভিধানসম্মত, সেসব ক্ষেত্রে কেবল হ্রস্বস্বর (ই, উ বা ি, ু-কার) ব্যবহৃত হবে। যেমন: পদবি, পল্লি, ভঙ্গি, মঞ্জরি, লহরি, সরণি।

২. রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব বর্জন: তৎসম শব্দে রেফ (র্)-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: অর্জন (অর্জ্জন নয়), কার্য (কার্য্য নয়), ধর্ম (ধর্ম্ম নয়), সূর্য (সূর্য্য নয়)।

৩. সন্ধিজাত অনুস্বার (ং): সন্ধির ক্ষেত্রে ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পূর্বপদের অন্তস্থিত 'ম্'-স্থানে অনুস্বার (ং) হবে। যেমন: অহং + কার = অহংকার, সম্ + গীত = সংগীত, অলং + কার = অলংকার।

৪. শব্দান্তের বিসর্গ বর্জন: তৎসম শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না। যেমন: কার্যত, মূলত, বস্তুত, ইতস্তত, প্রথমত।

৫. ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের রূপান্তর: পদান্তস্থিত 'ইন্'-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে 'ত্ব' বা 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হলে পূর্ববর্তী দীর্ঘ-ঈ-কার হ্রস্ব-ই-কারে পরিণত হয়। যেমন: কৃতী > কৃতিত্ব, দায়ী > দায়িত্ব, প্রতিযোগী > প্রতিযোগিতা, মন্ত্রী > মন্ত্রিত্ব।


অথবা, (খ) যেকোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান:

অশুদ্ধ শব্দশুদ্ধ রূপ
১. আগন্তকআগন্তুক
২. আইনজীবিআইনজীবী
৩. পরিস্কারপরিষ্কার
৪. ইতিপূর্বেইতঃপূর্বে
৫. মনিষীমনীষী
৬. মূহূর্তমুহূর্ত
৭. মন্ত্রীসভামন্ত্রিসভা
৮. বিদ্রূপবিদ্রূপ (প্রদত্ত বানানটি শুদ্ধ; প্রশ্নে 'বিদ্রুপ' থাকলে শুদ্ধ রূপ হবে 'বিদ্রূপ')

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন