‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বিচারক নিয়োগের পদ্ধতি কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে'?' চিহ্নিত স্থানে কী বসবে? বিষয়টি সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত বিষয়টির সাথে স্বাধীনতার সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিচারক নিয়োগের পদ্ধতি প্রধানত তিনটি (জনগণ কর্তৃক সরাসরি নির্বাচন, আইনসভা কর্তৃক নির্বাচন এবং শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগ কর্তৃক নিয়োগ)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি বলতে সরকারের প্রধান তিনটি অঙ্গ—আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ পৃথক রেখে আলাদা ও স্বাধীনভাবে পরিচালনার নীতিকে বোঝায়। ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু এই তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা। এই নীতি অনুসারে একটি বিভাগ অন্য বিভাগের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না এবং কোনো ব্যক্তি একই সাথে একাধিক বিভাগের দায়িত্বে থাকতে পারবে না, যাতে ব্যক্তির স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে এবং স্বৈরাচারী শাসনের পথ রুদ্ধ হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে বসবে "আইন" বা "আইনের উৎস"।

    উদ্দীপকে প্রদর্শিত উপাদানগুলো—প্রথা, ধর্ম, সংবিধান এবং বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা—হলো আইনের বিভিন্ন প্রধান উৎস। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হল্যান্ড আইনের ছয়টি উৎসের কথা উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে প্রথা, ধর্ম, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা এবং আইনসভা বা সংবিধান উল্লেখযোগ্য।
    আইন হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো নিয়মকানুন যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। আদিম সমাজে প্রথা ও ধর্মীয় অনুশাসন থেকেই আইনের উৎপত্তি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিশিষ্ট আইনবিদদের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা এবং লিখিত সংবিধান আইনের অন্যতম প্রধান ভিত্তিস্বরূপ রূপ লাভ করেছে। সুতরাং, উদ্দীপকের ছকটিতে আইনের বিভিন্ন উৎস প্রদর্শিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত বিষয়টি হলো "আইন"। আইন ও স্বাধীনতার মধ্যে অত্যন্ত গভীর এবং অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এই সম্পর্ক মূলত পরিপূরক হিসেবে বিবেচিত হয়। নিম্নে এদের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. আইন স্বাধীনতার রক্ষক: জন লক যথার্থই বলেছেন, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না" (Where there is no law, there is no freedom)। আইন না থাকলে সমাজে সবলরা দুর্বলের ওপর অত্যাচার চালাত এবং প্রকৃত স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হতো।

    ২. আইন স্বাধীনতার অভিভাবক ও ক্ষেত্র প্রসারক: আইন নাগরিকের অধিকারের সীমা নির্ধারণ করে দেয়, যাতে একজন ব্যক্তির অধিকার ভোগ অন্যের বাধার কারণ না হয়। এটি ব্যক্তিস্বাধীনতার ক্ষেত্রকে সুরক্ষিত ও সম্প্রসারিত করে।

    ৩. আইন স্বাধীনতার ভিত্তি: রাষ্ট্রীয় আইনের অস্তিত্বের কারণেই মানুষ নিরাপদ ও শঙ্কাহীন পরিবেশে নিজ নিজ স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবিধান বা মৌলিক আইনের মাধ্যমে নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতাগুলো স্বীকৃত হয়।

    তবে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী কোনো কোনো তাত্ত্বিক আইন ও স্বাধীনতাকে পরস্পরবিরোধী মনে করেন। তাদের মতে, আইনের সংখ্যা যত বাড়ে, স্বাধীনতা তত সংকুচিত হয়। কিন্তু বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়সংগত ও জনকল্যাণমুখী আইন স্বাধীনতার পরিপন্থী নয়, বরং স্বাধীনতার প্রধান শর্ত ও নিশ্চয়তা।

    সুতরাং, পরিশেষে বলা যায়, আইন স্বাধীনতার বিরোধী নয় বরং এর অভিভাবক ও পরিপূরক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন