উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প- ০১ : ‘বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ বাংলাদেশে নানান ধর্মের লোকজন বসবাস করে বিধায় ঈদ, পূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিন উপলক্ষে উৎসবের ভিন্নতা অনুযায়ী পোশাকের ডিজাইন করে বাজারজাতকরণ করে।দৃশ্যকল্প- ০২ : ‘রূপসী বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ বাংলাদেশের অনেক গৌরবময় দিবস যেমন : ২১ ফেব্রয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর, পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন ইত্যাদি দিবসের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী দিবসগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে পোশাকের ডিজাইন করে।

  1. ক)

    মডিউলার ডিজাইন কী?

    (1)
  2. খ)

    পণ্য ডিজাইন নতুন পণ্য প্রবর্তনে সহায়তা করে। ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    ‘রূপসী বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কোন ধরনের পণ্য ডিজাইন করছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    ‘বাংলা ফ্যাশন হাউজ’দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় ভূমিকা রাখে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পণ্য ডিজাইনের ধরন উল্লেখপূর্বক মতামত বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে পণ্য ডিজাইনে পণ্যের বিভিন্ন অংশ বা উপাদান আলাদাভাবে তৈরি করে পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী সংযোজন বা প্রতিস্থাপন করা যায়, তাকে মডিউলার ডিজাইন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পণ্য ডিজাইন হলো একটি পণ্যের রূপ, কাঠামো, রঙ ও বৈশিষ্ট্যের পূর্বপরিকল্পনা। ভোক্তাদের রুচি, পছন্দ ও চাহিদার পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে টিকে থাকার জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিনিয়ত বাজারে নতুন পণ্য প্রবর্তন করতে হয়। পণ্য ডিজাইনের মাধ্যমেই পণ্যে নতুনত্ব, উপযোগিতা ও আধুনিক বৈচিত্র্য যোগ করে একটি সম্পূর্ণ নতুন পণ্যের রূপ দেওয়া সম্ভব হয়। তাই কার্যকর ও উদ্ভাবনী পণ্য ডিজাইন নতুন পণ্য প্রবর্তনে সরাসরি সহায়তা করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ‘রূপসী বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ‘নান্দনিক ডিজাইন’ বা ‘ঐতিহ্যবাহী/সংস্কৃতিভিত্তিক ডিজাইন’ অনুসরণ করছে।

    যে ডিজাইনে পণ্যের বাহ্যিক রূপ, সৌন্দর্য, মোটিফ ও আবেগময় বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাকে মূলত নান্দনিক বা ফ্যাশন ডিজাইন বলা হয়। আমাদের দেশে বিভিন্ন জাতীয় ও সাংস্কৃতিক দিবসে বিশেষ ডিজাইনের পোশাক ব্যবহারের সংস্কৃতি রয়েছে।

    উদ্দীপকের ‘রূপসী বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর, পহেলা বৈশাখ ও পহেলা ফাল্গুনের মতো গৌরবময় দিবসগুলোর প্রেক্ষাপট ও মূলভাব অনুযায়ী পোশাকে বিশেষ রঙ ও মোটিফ ব্যবহার করে ডিজাইন করে। জাতীয় চেতনা, আবেগ ও সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গকে প্রাধান্য দিয়ে করা এই ডিজাইন মূলত নান্দনিক ও সংস্কৃতিভিত্তিক ডিজাইনের অন্তর্ভুক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ‘বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যভিত্তিক নান্দনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করে দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে— উক্তিটি যথার্থ।

    একটি বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক দেশে বিভিন্ন উৎসবের পোশাকের রূপ ও ঐতিহ্য ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। এসব উৎসবের ভাবধারার সাথে সঙ্গতি রেখে যে ডিজাইন করা হয়, তা মূলত নান্দনিক ডিজাইনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে ধারণ করে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, ‘বাংলা ফ্যাশন হাউজ’ বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবের ভিন্নতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঈদ, পূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিন উপলক্ষে আলাদা আলাদা পোশাক ডিজাইন করে। এর ফলে দেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উদযাপন করতে পারছে। এতে শুধু অর্থনৈতিক লক্ষ্যই অর্জিত হচ্ছে না, বরং এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে এবং প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখছে।

    সুতরাং, উৎসবভিত্তিক এই নান্দনিক ডিজাইন দেশীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতি রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন