যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

আমি এ যাবৎ বাংলাদেশের যত মানুষ দেখেছি সবাই দয়ালু। অতএব, বাংলাদেশের সকল মানুষ হয় দয়ালু।

  1. ক)

    প্রকৃত আরোহ কত প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    আরোহমূলক লম্ফকে আরোহের প্রাণ বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের অনুমান প্রকাশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়ের সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের তুলনামূলক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকৃত আরোহ তিন প্রকার: বৈজ্ঞানিক আরোহ, অবৈজ্ঞানিক আরোহ এবং সাদৃশ্যানুমান।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আরোহমূলক লম্ফকে আরোহের প্রাণ বলা হয় কারণ এটি আরোহ অনুমানের মূল বা অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। আরোহমূলক লম্ফের মাধ্যমেই আমরা জ্ঞাত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে, বিশেষ সত্য থেকে সার্বিক সত্যে এবং প্রত্যক্ষ থেকে অপ্রত্যক্ষে পদার্পণ করি। এই লম্ফ না থাকলে আরোহের অস্তিত্বই থাকে না এবং নতুন কোনো জ্ঞান অর্জন সম্ভব হয় না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'অবৈজ্ঞানিক আরোহ' প্রকাশ পেয়েছে।

    কোনো কার্যকারণ সম্পর্কের অনুসন্ধান না করে কেবল অবাধ বা অনুকূল অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে কোনো বিষয়ের সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়াকে অবৈজ্ঞানিক আরোহ বলে।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বক্তা এ যাবৎ বাংলাদেশের যত মানুষ দেখেছেন তাদের সবাইকে দয়ালু পেয়েছেন। অর্থাৎ এখানে শুধু ব্যক্তিগত অবাধ বা অনুকূল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবং কোনো বিপরীত দৃষ্টান্ত না পাওয়ার কারণে সিদ্ধান্ত টানা হয়েছে যে 'বাংলাদেশের সকল মানুষ হয় দয়ালু'। এতে কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়নি। সুতরাং, এটি একটি অবৈজ্ঞানিক আরোহ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয় হলো অবৈজ্ঞানিক আরোহ। নিম্নে অবৈজ্ঞানিক আরোহের সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের তুলনামূলক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. কার্যকারণ সম্পর্ক: বৈজ্ঞানিক আরোহের ভিত্তি হলো কার্যকারণ নিয়ম ও প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি। অন্যদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে কেবল প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও অবাধ অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করা হয়, কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয় না।
    ২. প্রকৃতির রূপ: বৈজ্ঞানিক আরোহে সুনিয়ন্ত্রিত নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ ব্যবহার করা হয়, ফলে এর প্রক্রিয়া জটিল ও বিজ্ঞানসম্মত। অপরদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহ সাধারণ ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
    ৩. সিদ্ধান্তের নিশ্চিতত্ব: বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত কেবল সম্ভাব্য; একটি বিপরীত দৃষ্টান্ত পাওয়া গেলেই এর সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হতে পারে।
    ৪. সাদৃশ্য: উভয় আরোহই প্রকৃত আরোহের অংশ এবং উভয়ের মধ্যেই 'আরোহমূলক লম্ফ' উপস্থিত থাকে। উভয়েই বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য গঠন করে।

    অতএব, অবৈজ্ঞানিক আরোহ হলো বৈজ্ঞানিক আরোহের প্রাথমিক ধাপ, যা চূড়ান্তভাবে বৈজ্ঞানিক আরোহের রূপ ধারণ করতে কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন