যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    'Dichotomy' শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    ক্ষুদ্রতম উপজাতিকে বিভক্ত করা যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যৌক্তিক বিভাগের কোন বিষয়কে নির্দেশ করেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়টির সুবিধাসমূহ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'Dichotomy' শব্দের অর্থ দ্বিকোটিক বিভাগ বা দুই ভাগে বিভক্তিকরণ (গ্রিক শব্দ 'dicha' অর্থ দুই ভাগে এবং 'temnein' অর্থ কাটা বা বিভক্ত করা)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ক্ষুদ্রতম উপজাতিকে (Infima species) আর কোনো উপজাতিতে বিভক্ত করা যায় না, কারণ এর নিচে কেবল বিশিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুসমূহ (individuals) অবস্থান করে। যৌক্তিক বিভাগ সর্বদা একটি জাতিকে তার অন্তর্ভুক্ত উপজাতিসমূহে ভাগ করে, কিন্তু ব্যক্তি বা বিশিষ্ট বস্তুতে ভাগ করা যৌক্তিক বিভাগের আওতাভুক্ত নয়। তাই ক্ষুদ্রতম উপজাতিকে আর যৌক্তিক নিয়মে বিভক্ত করা যায় না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে যৌক্তিক বিভাগের 'দ্বিকোটিক বিভাগ' (Dichotomy)-কে নির্দেশ করেছে।

    যে বিভাগ প্রক্রিয়ায় কোনো একটি শ্রেণি বা জাতিকে পরস্পর দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে (একটি সদর্থক ও অন্যটি নঞর্থক) বিভক্ত করা হয়, তাকে দ্বিকোটিক বিভাগ বলে। এ প্রক্রিয়াটি মূলত চিন্তার মৌলিক নিয়ম 'বিরোধ নিয়ম' এবং 'মধ্যম রহিত নিয়ম'-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

    উদ্দীপকের ছকে দেখা যাচ্ছে, 'জীব' জাতিকে প্রথমে বুদ্ধিবৃত্তির উপস্থিতির ভিত্তিতে 'মানুষ' (সদর্থক) এবং 'অমানুষ' (নঞর্থক)—এই দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে বিভক্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে 'মানুষ' উপজাতিটিকে সভ্যতার উপস্থিতির ভিত্তিতে 'সভ্য' এবং 'অসভ্য'—এই দুই বিরুদ্ধ উপজাতিতে ভাগ করা হয়েছে। যেহেতু প্রতিটি ধাপে মূল শ্রেণিটিকে একটি নির্দিষ্ট গুণের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির ভিত্তিতে পরস্পর বিরোধী দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়েছে, তাই এটি দ্বিকোটিক বিভাগকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রতিফলিত দ্বিকোটিক বিভাগ প্রক্রিয়ার সুবিধাসমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. সুনির্দিষ্ট ও সহজ প্রক্রিয়া: দ্বিকোটিক বিভাগ অত্যন্ত সহজ ও সুনির্দিষ্ট। এতে কোনো বিষয়ের বিস্তারিত বাস্তব জ্ঞান না থাকলেও কেবল একটি গুণের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি (সদর্থক ও নঞর্থক) বিবেচনা করে বিভাগ সম্পন্ন করা যায়।

    ২. নিয়ম লঙ্ঘনের সুযোগ থাকে না: সাধারণ যৌক্তিক বিভাগে একই সাথে একাধিক মূলসূত্র ব্যবহার করলে বা অন্য কোনো অসতর্কতায় অনুপপত্তি ঘটার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু দ্বিকোটিক বিভাগে সর্বদা চিন্তার মৌলিক নিয়ম (বিরোধ নিয়ম ও মধ্যম রহিত নিয়ম) অনুসৃত হওয়ায় এখানে কোনো অনুপপত্তি ঘটার সুযোগ থাকে না।

    ৩. সামগ্রিকতা রক্ষা: এ প্রক্রিয়ায় কোনো শ্রেণি বা জাতির অন্তর্ভুক্ত সকল সদস্যকে নিশ্চিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। যেহেতু উপজাতি দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ (যেমন: মানুষ ও অমানুষ), তাই কোনো সদস্যই বিভাগের বাইরে থেকে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।

    ৪. বিজ্ঞানসম্মত শ্রেণিকরণ: প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে বিশেষ করে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞানে বিভিন্ন প্রজাতি শনাক্তকরণ ও নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিকোটিক বিভাগ (Dichotomous key) পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়।

    সুতরাং, তাত্ত্বিক নিশ্চয়তা এবং যৌক্তিক শৃঙ্খলার দিক থেকে পাঠ্যপুস্তকের আলোকে দ্বিকোটিক বিভাগের গুরুত্ব ও সুবিধা অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন