পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
একটি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি হলো "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়"। দেশটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ৩২তম সদস্য।
- ক)(1)
EU কী?
- খ)(2)
জাতিসংঘ গঠনের ২টি উদ্দেশ্য বর্ণনা করো।
- গ)(3)
বর্ণিত রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে বর্ণিত রাষ্ট্রটির সম্পর্ক বর্ণন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
EU হলো ইউরোপের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যার পূর্ণরূপ European Union (ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতিসংঘ গঠনের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো:
১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন ও যুদ্ধ প্রতিরোধ করা।
২. সকল রাষ্ট্রের মধ্যে সম-অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নীতির ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়" নীতিটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে বৈদেশিক নীতির বৈশিষ্ট্যগুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সব রাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা।
৪. জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি অবিচল আস্থা রাখা।
৫. বর্ণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা এবং বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের মুক্তিসংগ্রামকে সমর্থন করা। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত আন্তর্জাতিক সংস্থাটি হলো 'ন্যাটো' (NATO - North Atlantic Treaty Organization), যা ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়েছিল এবং সম্প্রতি সুইডেন এর ৩২তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে উদ্দীপকের প্রথম অংশে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রশ্নটিতে বর্ণিত রাষ্ট্রের সাথে উক্ত সংস্থার সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটটি বিবেচনা করতে হয়।
বাংলাদেশ তার সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে চলে। বাংলাদেশ কোনো সামরিক জোটের (যেমন- ন্যাটো) সদস্য নয় এবং প্রত্যক্ষভাবে সামরিক জোটে অংশ না নেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী। তবে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে একযোগে কাজ করে। ন্যাটোর সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের চমৎকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ সামরিক জোটের অংশীদার না হলেও বৈশ্বিক শান্তি, সন্ত্রাসবাদ দমন ও মানবাধিকার সুরক্ষার মতো বহুপাক্ষিক উদ্যোগে নীতিগত ঐকমত্য পোষণ করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও