যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪
যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
যৌক্তিক বিভাগ কী?
- খ)(2)
যৌক্তিক বিভাগ কেন প্রয়োজন?
- গ)(3)
ছক-১ তোমার পাঠ্য কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?
- ঘ)(4)
ছক-১ ও ছক-২ এর মধ্যেকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো একটি নীতি বা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে একটি জাতি বা উচ্চতর শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপজাতি বা নিম্নতর শ্রেণিসমূহে বিভক্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পদের ব্যক্ত্যর্থকে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করার জন্য যৌক্তিক বিভাগ প্রয়োজন।
যৌক্তিক বিভাগের সাহায্যে কোনো উচ্চতর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত সকল উপশ্রেণি বা সদস্যদের সুশৃঙ্খলভাবে জানা যায়। এর মাধ্যমে যেকোনো বিষয়ের সামগ্রিক বিস্তৃতি ও শ্রেণিগত সম্পর্ক সহজে অনুধাবন করা যায়, যা চিন্তাকে শৃঙ্খলিত ও স্পষ্ট করে এবং ভুল বিভাজন বা ভ্রান্তি দূর করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ছক-১ পাঠ্যবইয়ের যুক্তিবিদ্যার 'দ্বিকোটিক বিভাগ' (Dichotomy)-কে নির্দেশ করে।
যে যৌক্তিক বিভাগে কোনো মূলনীতি বা গুণের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ভিত্তিতে কোনো একটি শ্রেণিকে দুটি পরস্পর বিরোধী বা বিরুদ্ধ উপশ্রেণিতে ভাগ করা হয়, তাকে দ্বিকোটিক বিভাগ বলে। এ প্রক্রিয়ায় উপশ্রেণি দুটি সবসময় একটি সদর্থক এবং অপরটি নঞর্থক হয়।
উদ্দীপকের ছক-১-এ 'মানুষ' শ্রেণিকে জাতীয়তার নীতি বা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব থাকার ভিত্তিতে 'বাংলাদেশি' (সদর্থক) এবং 'অ-বাংলাদেশি' (নঞর্থক)—এই দুটি বিরুদ্ধ উপশ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। সুতরাং, এটি স্পষ্টতই দ্বিকোটিক বিভাগকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছক-১ এ দ্বিকোটিক বিভাগ এবং ছক-২ এ সাধারণ যৌক্তিক বিভাগ (সরল বা গুণভিত্তিক যৌক্তিক বিভাগ) প্রদর্শিত হয়েছে। নিম্নে এদের মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:
১. ধারণাগত পার্থক্য: দ্বিকোটিক বিভাগে কোনো গুণের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ভিত্তিতে একটি জাতিকে দুটি মাত্র বিরুদ্ধ উপশ্রেণিতে ভাগ করা হয় (যেমন: বাংলাদেশি ও অ-বাংলাদেশি)। অন্যদিকে ছক-২ এ সততা গুণের উপস্থিতির তারতম্য অনুযায়ী 'সৎ মানুষ' ও 'অসৎ মানুষ' শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যা বাস্তব গুণের ভিত্তিতে সাধারণ বিভাগ।
২. উপশ্রেণির প্রকৃতি: ছক-১ এর শ্রেণি দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ (Contradictory), অর্থাৎ 'বাংলাদেশি' ও 'অ-বাংলাদেশি'। এখানে মধ্যবর্তী কোনো তৃতীয় সম্ভাবনা নেই। কিন্তু ছক-২ এর উপশ্রেণি দুটি বিপরীত বা পরস্পর-বর্জক (Contrary), যেখানে 'সৎ' ও 'অসৎ' ছাড়াও মধ্যবর্তী অবস্থান বা বাস্তব রূপ থাকতে পারে।
৩. বস্তুগত জ্ঞান: ছক-২ বা সাধারণ যৌক্তিক বিভাগ পরিচালনা করতে বিষয়টির বাস্তব গুণাবলি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকতে হয়। অপরদিকে, ছক-১ এর মতো দ্বিকোটিক বিভাগে কোনো বিষয়ের গভীর বাস্তব জ্ঞান না থাকলেও কেবল সদর্থক পদের পূর্বে 'অ-' বা 'নয়' বসিয়ে আকারগতভাবে বিভাগ করা সম্ভব।
৪. সীমাবদ্ধতা ও নিশ্চিত রূপ: দ্বিকোটিক বিভাগে সবসময় ঠিক দুটি উপশ্রেণি পাওয়া যায় এবং কোনো শ্রেণি বাদ পড়ার ঝুঁকি থাকে না। কিন্তু সাধারণ যৌক্তিক বিভাগে উপশ্রেণির সংখ্যা দুই বা ততোধিক হতে পারে এবং বাস্তব জ্ঞানের অভাবে কোনো কোনো উপশ্রেণি বাদ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
অতএব, ছক-১ এবং ছক-২ উভয়ই যৌক্তিক বিভাগের রূপ হলেও ছক-১ মূলত বিরুদ্ধ পদনির্ভর দ্বিকোটিক বিভাগ এবং ছক-২ একটি সাধারণ বা প্রথাগত যৌক্তিক বিভাগ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও