হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১
হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
আবুল, বাবুল ও কাবুল একটি অংশীদারি কারবারের তিনজন অংশীদার। তাদের লাভ-লোকসান বণ্টনের অনুপাত সমান। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে মূলধন হিসাবের উদ্বৃত্ত ছিল যথাক্রমে ২,০০,০০০ টাকা, ৩,০০,০০০ টাকা এবং ২,০০,০০০ টাকা। আবুল ও কাবুল মাসিক ৫,000 টাকা ও ৩,০০০ টাকা বেতন প্রাপ্ত হবেন। মূলধন ও উত্তোলনের ওপর ৫% হারে সুদ ধার্য করতে হবে। প্রত্যেক মাসের শেষ তারিখে আবুল, বাবুল ও কাবুল যথাক্রমে ৪,০০০ টাকা, ৫,০০০ টাকা ও ৬,০০০ টাকা কারবার হতে নগদ উত্তোলন করেছিলেন। আবুল ২০২০ সালের ১ জুলাই ৫০,০০০ টাকা কারবারকে ঋণস্বরূপ প্রদান করে। উপযুক্ত সমন্বয়গুলো সাধনের পূর্বে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য ব্যবসায়ের নিট লাভ টাকায় উপনীত হয়।
- ক)(1)
আবুলের ঋণের সুদ গণনা কর ।
- খ)(2)
লাভ-লোকসান বণ্টন হিসাব তৈরি কর।
- গ)(3)
আবুল ও কাবুলের মূলধন হিসাব তৈরি কর
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের সমাপ্তি বাক্যে নিট লাভের অঙ্ক অনুল্লেখিত থাকায় একটি নমুনা মান হিসেবে নিট লাভ ২,০০,০০০ টাকা ধরে সমাধান সম্পন্ন করা হয়েছে। | চুক্তিতে সুদের হার না থাকায় ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী ঋণের ওপর ৬% হারে সুদ ধার্য করা হয়েছে। | প্রতি মাসের শেষ তারিখে নগদ উত্তোলন করায় গড়ে ৫.৫ মাসের উত্তোলনের সুদ ধার্য করা হয়েছে। | অংশীদারের ঋণের সুদ পৃথক ঋণ হিসাবে স্থানান্তরযোগ্য হওয়ায় তা মূলধন হিসাবে আনা হয়নি।
আবুলের ঋণের সুদ গণনা:
অংশীদারি চুক্তিপত্রে ঋণের সুদের হার উল্লেখ না থাকলে ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ১৩(ঘ) ধারা অনুযায়ী বার্ষিক ৬% হারে সুদ ধার্য করতে হয়।
আবুল ২০২০ সালের ১ জুলাই তারিখে কারবারে ৫০,০০০ টাকা ঋণ প্রদান করে। ফলে ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসের সুদ ধার্য হবে।ঋণের সুদ = ৫০,০০০ × ৬% × (৬ / ১২) = ১,৫০০ টাকা।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের সমাপ্তি বাক্যে নিট লাভের অঙ্ক অনুল্লেখিত থাকায় একটি নমুনা মান হিসেবে নিট লাভ ২,০০,০০০ টাকা ধরে সমাধান সম্পন্ন করা হয়েছে। | চুক্তিতে সুদের হার না থাকায় ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী ঋণের ওপর ৬% হারে সুদ ধার্য করা হয়েছে। | প্রতি মাসের শেষ তারিখে নগদ উত্তোলন করায় গড়ে ৫.৫ মাসের উত্তোলনের সুদ ধার্য করা হয়েছে। | অংশীদারের ঋণের সুদ পৃথক ঋণ হিসাবে স্থানান্তরযোগ্য হওয়ায় তা মূলধন হিসাবে আনা হয়নি।
[অনুমান: উদ্দীপকে নিট লাভের অঙ্ক বাদ পড়ায় এখানে নিট লাভ ২,০০,০০০ টাকা ধরে সমাধান দেখানো হলো]
আবুল, বাবুল ও কাবুলের
লাভ-লোকসান বণ্টন হিসাব
২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্যডেবিট:
১. অংশীদারদের মূলধন হিসাব (মূলধনের সুদ - ৫%):- আবুল (২,০০,০০০ × ৫%) = ১০,০০০ টাকা
- বাবুল (৩,০০,০০০ × ৫%) = ১৫,০০০ টাকা
- কাবুল (২,০০,০০০ × ৫%) = ১০,০০০ টাকা
মোট মূলধনের সুদ = ৩৫,০০০ টাকা
২. অংশীদারদের মূলধন হিসাব (বেতন):
- আবুল (৫,০০০ × ১২) = ৬০,০০০ টাকা
- কাবুল (৩,০০০ × ১২) = ৩৬,০০০ টাকা
মোট বেতন = ৯৬,০০০ টাকা
৩. আবুলের ঋণ হিসাব (ঋণের সুদ) = ১,৫০০ টাকা
৪. অংশীদারদের মূলধন হিসাব (বণ্টনযোগ্য মুনাফার অংশ - সমহারে ১:১:১):
- আবুল = ২৩,৮৭৫ টাকা
- বাবুল = ২৩,৮৭৫ টাকা
- কাবুল = ২৩,৮৭৫ টাকা
মোট মুনাফা = ৭১,৬২৫ টাকা
মোট ডেবিট = ২,০৪,১২৫ টাকা
ক্রেডিট:
১. লাভ-লোকসান হিসাব (ধরে নেওয়া নিট লাভ) = ২,০০,০০০ টাকা২. অংশীদারদের মূলধন হিসাব (উত্তোলনের সুদ - প্রতি মাসের শেষে উত্তোলন করায় ৫.৫ মাসের সুদ):
- আবুল: (৪,০০০ × ৫% × ৫.৫) = ১,১০০ টাকা
- বাবুল: (৫,০০০ × ৫% × ৫.৫) = ১,৩৭৫ টাকা
- কাবুল: (৬,০০০ × ৫% × ৫.৫) = ১,৬৫০ টাকা
মোট উত্তোলনের সুদ = ৪,১২৫ টাকা
মোট ক্রেডিট = ২,০৪,১২৫ টাকা
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের সমাপ্তি বাক্যে নিট লাভের অঙ্ক অনুল্লেখিত থাকায় একটি নমুনা মান হিসেবে নিট লাভ ২,০০,০০০ টাকা ধরে সমাধান সম্পন্ন করা হয়েছে। | চুক্তিতে সুদের হার না থাকায় ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী ঋণের ওপর ৬% হারে সুদ ধার্য করা হয়েছে। | প্রতি মাসের শেষ তারিখে নগদ উত্তোলন করায় গড়ে ৫.৫ মাসের উত্তোলনের সুদ ধার্য করা হয়েছে। | অংশীদারের ঋণের সুদ পৃথক ঋণ হিসাবে স্থানান্তরযোগ্য হওয়ায় তা মূলধন হিসাবে আনা হয়নি।
অংশীদারদের মূলধন হিসাব (পরিবর্তনশীল মূলধন পদ্ধতি)
১. আবুলের মূলধন হিসাব:
-
ক্রেডিট দিক:
১ জানুয়ারি ২০২০: ব্যালেন্স বি/ডি = ২,০০,০০০ টাকা
৩১ ডিসেম্বর ২০২০ (লাভ-লোকসান বণ্টন হিসাব):- মূলধনের সুদ = ১০,০০০ টাকা
- বেতন = ৬০,০০০ টাকা
- মুনাফার অংশ = ২৩,৮৭৫ টাকা
মোট ক্রেডিট = ২,৯৩,৮৭৫ টাকা
-
ডেবিট দিক:
৩১ ডিসেম্বর ২০২০:- নগদান হিসাব (উত্তোলন: ৪,০০০ × ১২) = ৪৮,০০০ টাকা
- লাভ-লোকসান বণ্টন হিসাব (উত্তোলনের সুদ) = ১,১০০ টাকা
- ব্যালেন্স সি/ডি (উদ্বৃত্ত) = ২,৪৪,৭৭৫ টাকা
মোট ডেবিট = ২,৯৩,৮৭৫ টাকা
২. কাবুলের মূলধন হিসাব:
-
ক্রেডিট দিক:
১ জানুয়ারি ২০২০: ব্যালেন্স বি/ডি = ২,০০,০০০ টাকা
৩১ ডিসেম্বর ২০২০ (লাভ-লোকসান বণ্টন হিসাব):- মূলধনের সুদ = ১০,০০০ টাকা
- বেতন = ৩৬,০০০ টাকা
- মুনাফার অংশ = ২৩,৮৭৫ টাকা
মোট ক্রেডিট = ২,৬৯,৮৭৫ টাকা
-
ডেবিট দিক:
৩১ ডিসেম্বর ২০২০:- নগদান হিসাব (উত্তোলন: ৬,০০০ × ১২) = ৭২,০০০ টাকা
- লাভ-লোকসান বণ্টন হিসাব (উত্তোলনের সুদ) = ১,৬৫০ টাকা
- ব্যালেন্স সি/ডি (উদ্বৃত্ত) = ১,৯৬,২২৫ টাকা
মোট ডেবিট = ২,৬৯,৮৭৫ টাকা
(নোট: অংশীদারের ঋণের সুদ পৃথক ঋণ হিসাবে প্রদর্শিত হয় বিধায় তা মূলধন হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।)
-
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও