সমাজকর্ম ২য় পত্র • মৌলিক মানবিক চাহিদা • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    জীবন রক্ষার জন্য কোন মৌল মানবিক চাহিদার প্রয়োজন?

    (1)
  2. খ)

    মৌলিক মানবিক চাহিদা হিসেবে চিকিৎসার গুরুত্ব লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন মৌলিক মানবিক চাহিদাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত মৌলিক মানবিক চাহিদার বর্তমান পরিস্থিতি আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জীবন রক্ষার জন্য সবচেয়ে অপরিহার্য মৌল মানবিক চাহিদা হলো খাদ্য।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানুষের শারীরিক সুস্থতা, কর্মক্ষমতা রক্ষা এবং জীবন বাঁচানোর জন্য মৌলিক মানবিক চাহিদা হিসেবে চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগব্যাধি থেকে আরোগ্য লাভ, স্বাস্থ্য রক্ষা এবং আয়ুষ্কাল বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত চিকিৎসাসেবা আবশ্যক। চিকিৎসা ছাড়া মানুষ অসুস্থ হয়ে অকালমৃত্যুর মুখে পতিত হয় এবং সমাজ ও দেশের জন্য উৎপাদনশীল ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়। তাই সুস্থ সবল জাতি গঠনে চিকিৎসার গুরুত্ব অপরিসীম।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মৌলিক মানবিক চাহিদা হিসেবে 'বস্ত্র'-কে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

    বস্ত্র মানবসভ্যতার ধারক ও বাহক এবং মানুষের লজ্জা নিবারণের প্রধান মাধ্যম। উদ্দীপকে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে— সভ্যতার ধারক ও বাহক, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং প্রকৃতির প্রতিকূলতা থেকে রক্ষা। আদিম যুগে মানুষ যখন বস্ত্রহীন ছিল, তখন থেকে বস্ত্র পরিধানের মাধ্যমেই মানবসভ্যতার সূচনা হয়।

    বস্ত্র মানুষের লজ্জা নিবারণ করে নৈতিক চরিত্র রক্ষা করে এবং সামাজিক মর্যাদা দান করে। এছাড়া রোদ, বৃষ্টি, ঝড় ও শীতের মতো প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে বস্ত্র অপরিহার্য। উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পূর্ণরূপে বস্ত্রের কার্যকারিতা ও তাৎপর্যকেই তুলে ধরে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মৌলিক মানবিক চাহিদাটি হলো 'বস্ত্র'। বাংলাদেশে বস্ত্র চাহিদার বর্তমান পরিস্থিতি সন্তোষজনক ও ইতিবাচক হলেও কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান।

    বর্তমানে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে বিশ্বে একটি শীর্ষস্থানীয় দেশ এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার একটি বড় অংশ স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পূরণ হয়। দেশের শতকরা প্রায় শতভাগ মানুষই কোনো না কোনোভাবে বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করতে পারছে এবং মাথাপিছু বস্ত্র ব্যবহারের পরিমাণও পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দেশে সুতি ও সিন্থেটিক কাপড়ের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

    তবে এই ইতিবাচক অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু সংকটও রয়েছে। দেশের দরিদ্র, ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর একটি অংশ এখনও মানসম্মত ও ঋতুোপযোগী বস্ত্র থেকে বঞ্চিত। বিশেষ করে শীতকালে উত্তরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষের শীতবস্ত্রের তীব্র সংকট দেখা দেয়। এছাড়া কাঁচামাল (যেমন তুলা) আমদানিনির্ভরতা এবং সিনথেটিক পোশাকের উচ্চমূল্য দরিদ্র শ্রেণির ক্রয়ক্ষমতার বাইরে থেকে যায়। তা সত্ত্বেও সার্বিক বিচারে বাংলাদেশে বর্তমান বস্ত্র পরিস্থিতি পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন