বিজ্ঞান • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯
বিজ্ঞান প্রশ্ন
পিয়াল একটি তড়িৎযন্ত্রের সাহায্যে লোহার পাত্রের উপর জিংক ধাতুর প্রলেপ দিল। এই যন্ত্রটি দ্বারা সে বর্তনীর মেরু নির্ণয় করতে পারে।
- ক)(1)
কিলোওয়াট-ঘন্টা কাকে বলে?
- খ)(2)
বর্তনীতে ফিউজ ব্যবহার করা হয় কেন?
- গ)(3)
পিয়াল কীভাবে লোহার পাতে জিংকের প্রলেপ তৈরি করলো?
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর মেরু নির্ণয় 'করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
এক কিলোওয়াট (1 kW) ক্ষমতার কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা ধরে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি খরচ করে, তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh) বা এক ইউনিট বলে।
- খ)
বর্তনীতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ হলে যন্ত্রপাতি নষ্ট হতে পারে বা আগুন লেগে যেতে পারে। ফিউজের তার কম গলনাঙ্কের হওয়ায় বেশি প্রবাহে গলে গিয়ে বর্তনী বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
এ কারণে যন্ত্রপাতি ও ঘরের তার সুরক্ষিত থাকে। তাই বর্তনীতে ফিউজ ব্যবহার করা হয়।
- গ)
পিয়াল তড়িৎ প্রলেপন পদ্ধতিতে লোহার পাতে জিংকের প্রলেপ দেয়। পদ্ধতিটি নিম্নরূপ:
১. লোহার পাত পরিষ্কার করে পাত্রে রাখা হয়। এটি ক্যাথোড (ঋণাত্মক ইলেকট্রোড) হয়।
২. খাঁটি জিংকের দণ্ড অ্যানোড (ধনাত্মক ইলেকট্রোড) হিসেবে রাখা হয়।
৩. তড়িৎ দ্রব হিসেবে জিংকের কোনো লবণের দ্রবণ (যেমন জিংক সালফেট) নেওয়া হয়।
৪. ব্যাটারি দিয়ে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে আয়ন ক্যাথোডে গিয়ে ইলেকট্রন গ্রহণ করে জিংক পরমাণু হয়ে লোহার পাতে জমা পড়ে।
এভাবে লোহার ওপর জিংকের প্রলেপ তৈরি হয়। - ঘ)
উদ্দীপকের যন্ত্রটি তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষ। এটি দিয়ে বর্তনীর ধনাত্মক ও ঋণাত্মক মেরু শনাক্ত করা যায়।
১. একটি কাচপাত্রে তুঁতে () দ্রবণ নিয়ে তাতে দুটি পরিষ্কার তামার পাত রাখা হয়।
২. বর্তনীর অজানা মেরুর দুই প্রান্ত দুটি পাতের সাথে যুক্ত করে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়।
৩. কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, যে পাতে তামা জমছে সেটি ক্যাথোড। কারণ আয়ন ক্যাথোডে গিয়ে ইলেকট্রন গ্রহণ করে তামা হয়ে জমা হয়।
৪. ক্যাথোডের সাথে যুক্ত প্রান্তটি ঋণাত্মক মেরু এবং অপর প্রান্তটি (অ্যানোড) ধনাত্মক মেরু।সুতরাং, যে পাতে ধাতু জমা হয়, বর্তনীর সেই প্রান্ত ঋণাত্মক মেরু।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও