যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২
যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন
দৃশ্যকল্প-১ : মানুষ হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী।দৃশ্যকল্প-২ : পরাধীনতা হচ্ছে স্বাধীনতার অভাব।
- ক)(1)
অব্যাপক সংজ্ঞা কাকে বলে?
- খ)(2)
চক্র সংজ্ঞা অনুপপ্রক্রিয়া কখন প্রক্রিয়া?
- গ)(3)
দৃশ্যকল্প-১ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
'দৃশ্যকল্প-২ দৃশ্যকল্প-১ এর ত্রুটিপূর্ণ রূপ- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যৌক্তিক সংজ্ঞায় কোনো পদের আসন্নতম জাতি এবং লক্ষণীয় গুণের অতিরিক্ত গুণ উল্লেখ করার ফলে সংজ্ঞার্থের ব্যক্ত্যর্থ যদি সংজ্ঞেয় পদের ব্যক্ত্যর্থের চেয়ে কমে যায়, তবে তাকে অব্যাপক সংজ্ঞা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে যদি সংজ্ঞার্থের মধ্যে সরাসরি বা ঘুরিয়ে সেই পদটিকেই পুনরায় ব্যবহার করা হয় বা তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়, তবে সেখানে 'চক্রক সংজ্ঞা' (Circular definition) অনুপপত্তি ঘটে। যেমন— 'মানুষ হয় মানবীয় জীব'।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-১ হলো যুক্তিবিদ্যার নিয়ম অনুযায়ী একটি যথার্থ ও সার্থক যৌক্তিক সংজ্ঞা।
যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রথম নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পদের সংজ্ঞায় কেবল তার সমগ্র যাত্যর্থ (আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষণ) সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনো রূপক, দুর্বোধ্য বা অতিরিক্ত কোনো গুণ উল্লেখ করা যাবে না।
দৃশ্যকল্প-১-এ 'মানুষ' পদের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে— "মানুষ হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী"। এখানে 'মানুষ' পদের আসন্নতম জাতি হলো 'প্রাণী' এবং বিভেদক লক্ষণ হলো 'বুদ্ধিবৃত্তি'। ফলে এই সংজ্ঞায় যাত্যর্থের পরিমাণ সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থ পদে সম্পূর্ণ সমান হয়েছে এবং কোনো অনুপপত্তি ঘটেনি। অতএব, দৃশ্যকল্প-১ যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করেছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'দৃশ্যকল্প-২ দৃশ্যকল্প-১ এর ত্রুটিপূর্ণ রূপ'—উক্তিটি যথার্থ।
দৃশ্যকল্প-১ এ 'মানুষ' পদের একটি যথার্থ এবং ইতিবাচক সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়ম মেনে চলেছে। কিন্তু দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে, "পরাধীনতা হচ্ছে স্বাধীনতার অভাব"। যুক্তিবিদ্যার নিয়মানুসারে, কোনো পদের সংজ্ঞায় যেখানে ইতিবাচক বা সদর্থক রূপ দেওয়া সম্ভব, সেখানে কোনোভাবেই নেতিবাচক বা নঞর্থক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। নঞর্থক শব্দ ব্যবহার করলে 'নঞর্থক সংজ্ঞা অনুপপত্তি' (Fallacy of Negative Definition) ঘটে।
দৃশ্যকল্প-২ এ 'পরাধীনতা' পদটিকে একটি নঞর্থক ধারণার মাধ্যমে ("স্বাধীনতার অভাব") প্রকাশ করা হয়েছে, যা পরাধীনতার মূল বৈশিষ্ট্যকে সরাসরি ইতিবাচকভাবে ব্যক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। যেহেতু ইতিবাচক সংজ্ঞার স্থলে এখানে নঞর্থক সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে, তাই দৃশ্যকল্প-১ এর যথার্থ রূপের বিপরীতে দৃশ্যকল্প-২ একটি নিয়মভঙ্গজনিত ত্রুটিপূর্ণ বা অনুপপত্তিমূলক রূপ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও