যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: পরাণ সরকার একজন সাদা মনের মানুষ। তিনি আপন মমতায় গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করেন।দৃশ্যকল্প- ২:

  1. ক)

    পদ কী?

    (1)
  2. খ)

    'মারহাবা', 'হুররে', 'বাহ!' শব্দগুলো পদাযোগ্য কেন?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১-এ চিহ্নিত শব্দগুলো কোন ধরনের পদ তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২-এ পদের যে সম্পর্কের ইঙ্গিত রয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যায় যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে, তাকে 'পদ' (Term) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'মারহাবা', 'হুররে', 'বাহ!' ইত্যাদি শব্দগুলো মানুষের মনের আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। যুক্তিবিদ্যায় এগুলোকে 'সহপদযোগ্য শব্দ' বা স্বাধীনভাবে 'পদযোগ্য শব্দ' বলা যায় না, বরং এগুলো হলো 'পদ-অযোগ্য শব্দ' (Categoriematic নয়, Syncategoriematic-ও নয়, এগুলো হলো A-categoriematic)। এই শব্দগুলো কখনো একা বা অন্যের সাহায্য নিয়ে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে না। তাই এদের পদাযোগ্য (পদ-অযোগ্য) শব্দ বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১-এ পরাণ সরকার, সাদা মনের মানুষ, গাছের চারা ইত্যাদি পদ নির্দেশ করা হয়েছে। ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যার দৃষ্টিতে শব্দগুলোর গঠন অনুসারে এগুলো বিভিন্ন প্রকার পদের অন্তর্গত। যুক্তিবিদ্যায় পদের গঠন বা বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পদকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন: একক পদ ও যৌগিক পদ, বিশিষ্ট পদ ও সাধারণ পদ, এবং গুণবাচক ও বস্তুবাচক পদ।

    দৃশ্যকল্প-১-এ 'পরাণ সরকার' একটি বিশিষ্ট পদ (Singular term), কারণ এটি দ্বারা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে 'সাদা মনের মানুষ' বা 'গাছের চারা' একাধিক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় এগুলো যৌগিক বা জটিল পদ (Composite term)। এছাড়াও 'গাছের চারা' বা 'মানুষ' হলো সাধারণ পদ (General term) এবং বস্তুবাচক পদ। অতএব, পাঠ্যবইয়ের আলোকে দৃশ্যকল্পের চিহ্নিত শব্দগুলো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, একাধিক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত গুণ কিংবা সাধারণ ধারণাকে প্রকাশকারী পদ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২-এ পদের ব্যক্ত্যর্থ (Extension/Denotation) এবং জাত্যর্থের (Intension/Connotation) মধ্যকার বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্কের ইঙ্গিত রয়েছে।

    কোনো পদের সংখ্যামূলক বা পরিমাণের দিককে বলা হয় ব্যক্ত্যর্থ এবং তার সাধারণ ও আবশ্যিক গুণবাচক দিককে বলা হয় জাত্যর্থ। পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীত অনুপাতের সম্পর্ক বিদ্যমান; অর্থাৎ একটি বাড়লে অন্যটি কমে এবং একটি কমলে অন্যটি বাড়ে।

    দৃশ্যকল্প-২-এর চিত্রে দেখা যায়:
    ১. বাম পাশের চিত্রে গুণের সংযোজন দেখানো হয়েছে (যেমন: সমাজসেবা → শিক্ষা + সমাজসেবা → সততা + শিক্ষা + সমাজসেবা)। অর্থাৎ ক্রমান্বয়ে জাত্যর্থ বাড়ছে।
    ২. এর বিপরীতে ডান পাশের চিত্রে সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে (১০০০ → ৫০০ → ১০০)। অর্থাৎ ব্যক্ত্যর্থ কমছে।
    চিত্রের তিরচিহ্নগুলো দ্বারা স্পষ্টভাবে জাত্যর্থ বৃদ্ধি পেলে ব্যক্ত্যর্থ হ্রাস পাওয়ার নিয়মটি প্রমাণিত হয়। একইভাবে বিপরীত দিক থেকে বিবেচনা করলে, জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং, দৃশ্যকল্প-২ মূলত পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী পরিবর্তনের নিয়মটিকেই সার্থকভাবে নির্দেশ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন