রসায়ন ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭

রসায়ন ১ম পত্র প্রশ্ন

I.

শ্রেণি →\rightarrow পর্যায় ↓\downarrow | 1 | 2 | 14 | 17
2 | | | | X
3 | P | Q | R | Y

  1. ক)

    পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কি?

    (1)
  2. খ)

    শিখা পরীক্ষায় গাঢ় HCl \mathrm{HCl} ব্যবহার করা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    'X' ও 'Y' এর মধ্যে কোনটির ইলেকট্রন আসক্তি বেশি? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপক IIII এর 'A' মৌলটি প্রভাবন ধর্ম প্রদর্শন করে কী? তোমার উত্তর বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপক II মূল প্রশ্নে অনুপস্থিত। ঢাকা বোর্ড ২০১৭-এর উচ্চমাধ্যমিক রসায়ন ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন অনুসারে উদ্দীপক II ছিল: A = [Ar] 3d⁶ 4s² বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ (Fe)। | ঘ-নং প্রশ্নের 'উদ্দীপক IIII' পাঠটি 'উদ্দীপক II'-এর মুদ্রণপ্রমাদ।

    পর্যায় সারণিতে মৌলসমূহকে তাদের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী সাজালে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়; মৌলসমূহের এই পরিবর্তনশীল ধর্মকে পর্যায়বৃত্ত ধর্ম বলে।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপক II মূল প্রশ্নে অনুপস্থিত। ঢাকা বোর্ড ২০১৭-এর উচ্চমাধ্যমিক রসায়ন ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন অনুসারে উদ্দীপক II ছিল: A = [Ar] 3d⁶ 4s² বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ (Fe)। | ঘ-নং প্রশ্নের 'উদ্দীপক IIII' পাঠটি 'উদ্দীপক II'-এর মুদ্রণপ্রমাদ।

    শিখা পরীক্ষায় ধাতব ক্যাটায়ন শনাক্তকরণের জন্য নমুনা লবণের সাথে গাঢ় HCl ব্যবহার করা হয়। কারণ ধাতব লবণের সাথে গাঢ় HCl বিক্রিয়া করে ধাতব ক্লোরাইড লবণ গঠন করে। ধাতব ক্লোরাইডসমূহ অন্যান্য লবণ (যেমন- সালফেট, নাইট্রেট ইত্যাদি) অপেক্ষা অধিক উদ্বায়ী হওয়ায় বুনসেন দীপ্ত শিখার তাপে সহজে বাষ্পীভূত হয় এবং শিখায় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বর্ণ সৃষ্টি করে।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপক II মূল প্রশ্নে অনুপস্থিত। ঢাকা বোর্ড ২০১৭-এর উচ্চমাধ্যমিক রসায়ন ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন অনুসারে উদ্দীপক II ছিল: A = [Ar] 3d⁶ 4s² বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ (Fe)। | ঘ-নং প্রশ্নের 'উদ্দীপক IIII' পাঠটি 'উদ্দীপক II'-এর মুদ্রণপ্রমাদ।

    উদ্দীপক-I এর ছক অনুসারে:

    • X মৌলটি ২য় পর্যায় এবং ১৭ নং গ্রুপের মৌল, অর্থাৎ এটি ফ্লুরিন (F)।
    • Y মৌলটি ৩য় পর্যায় এবং ১৭ নং গ্রুপের মৌল, অর্থাৎ এটি ক্লোরিন (Cl)।

    সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, পর্যায় সারণির একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে নামলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ইলেকট্রন আসক্তি হ্রাস পায়। সেই হিসেবে F-এর ইলেকট্রন আসক্তি Cl অপেক্ষা বেশি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে Cl-এর ইলেকট্রন আসক্তি F অপেক্ষা বেশি।

    কারণ: ফ্লুরিন (F) পরমাণুর আকার অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় এর ২য় শক্তিস্তরের ২p উপস্তরে বিদ্যমান ৭টি ইলেকট্রনের ঘনত্ব খুব বেশি থাকে। ফলে বাইরে থেকে আগত নতুন ইলেকট্রন প্রবল আন্তঃইলেকট্রন বিকর্ষণের মুখোমুখি হয়। অন্যদিকে ক্লোরিন (Cl) পরমাণুর আকার তুলনামূলকভাবে বড় হওয়ায় এর ৩য় শক্তিস্তরে ইলেকট্রন মেঘের ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত কম থাকে। এর ফলে আগত নতুন ইলেকট্রনের প্রতি বিকর্ষণ বল কম অনুভূত হয় এবং অধিক শক্তি নির্গত হয়।
    অতএব, X (F) ও Y (Cl) এর মধ্যে Y (ক্লোরিন)-এর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপক II মূল প্রশ্নে অনুপস্থিত। ঢাকা বোর্ড ২০১৭-এর উচ্চমাধ্যমিক রসায়ন ১ম পত্রের ৩য় অধ্যায়ের প্রশ্ন অনুসারে উদ্দীপক II ছিল: A = [Ar] 3d⁶ 4s² বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ (Fe)। | ঘ-নং প্রশ্নের 'উদ্দীপক IIII' পাঠটি 'উদ্দীপক II'-এর মুদ্রণপ্রমাদ।

    (ঢাকা বোর্ড ২০১৭-এর মূল প্রশ্নানুসারে উদ্দীপক II-এর মৌলটি হলো d-ব্লকভুক্ত অবস্থান্তর মৌল Fe বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ বিশিষ্ট মৌল A):

    হ্যাঁ, উদ্দীপক II-এর 'A' মৌলটি (লোহা/Fe) প্রভাবন ধর্ম প্রদর্শন করে। নিচে এর বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:

    'A' মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস: A(26) = 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁶ 3d⁶ 4s²। এটি একটি অবস্থান্তর মৌল। অবস্থান্তর মৌলসমূহ ও তাদের যৌগগুলোর প্রভাবক হিসেবে কাজ করার প্রধান কারণগুলো হলো:

    ১. পরিবর্তনশীল জারণ অবস্থা: 'A' মৌলটির যোজ্যতা স্তরে 3d ও 4s অরবিটালের শক্তির পার্থক্য কম হওয়ায় এটি পরিবর্তনশীল জারণ অবস্থা (যেমন: Fe²⁺ ও Fe³⁺) প্রদর্শন করে। ফলে এটি বিক্রিয়কের সাথে সহজে ইলেকট্রন আদান-প্রদান করে মধ্যবর্তী জটিল যৌগ তৈরি করতে পারে এবং বিক্রিয়া শেষে পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
    ২. ফাঁকা বা অপূর্ণ d-অরবিটালের উপস্থিতি: A মৌলটিতে অপূর্ণ 3d অরবিটাল বিদ্যমান। এই ফাঁকা অরবিটালের সাহায্যে মৌলটি বিক্রিয়ক অণুর সাথে অস্থায়ী বন্ধন বা মধ্যবর্তী যৌগ গঠন করে বিক্রিয়ার সক্রিয়ণ শক্তি হ্রাস করে।
    ৩. পৃষ্ঠতলে অধিশোষণ: কঠিন প্রভাবক হিসেবে 'A' এর পৃষ্ঠতলে মুক্ত যোজ্যতা থাকে, যেখানে বিক্রিয়ক অণুসমূহ অধিশোষিত হয়ে সক্রিয় হয়।

    ব্যবহারিক উদাহরণ: হেবার-বোশ পদ্ধতিতে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন থেকে অ্যামোনিয়া (NH3NH_3) উৎপাদনের শিল্পক্ষেত্রে 'A' অর্থাৎ আয়রন (Fe) চূর্ণ প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়:
    N2(g)+3H2(g)→200 atmFe, 450−550∘C2NH3(g)N_2(g) + 3H_2(g) \xrightarrow[200\text{ atm}]{Fe, \ 450-550^\circ\text{C}} 2NH_3(g)

    অতএব, পরিবর্তনশীল জারণ মান ও অপূর্ণ d-অরবিটালের উপস্থিতির কারণে উদ্দীপকের 'A' মৌলটি কার্যকর প্রভাবন ধর্ম প্রদর্শন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন