জীববিজ্ঞান ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২১
জীববিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
এপিব্লেমা কী?
- খ)(2)
লিমিটিং ফ্যাক্টর বলতে কী বোঝ ?
- গ)(3)
P এবং Q চিহ্নিত অংশের সমন্বয়ে গঠিত টিস্যুতন্ত্রের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপক M এবং N যে উদ্ভিদাংশে পাওয়া যায় তাদের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্ভিদের মূলের ত্বককে এপিব্লেমা (Epiblema) বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যদি কতগুলো প্রভাবকের ওপর নির্ভরশীল হয়, তবে যে প্রভাবকটি সবচেয়ে কম পরিমাণে বা সবচেয়ে কম হারে উপস্থিত থেকে প্রক্রিয়াটির গতি নির্ধারণ করে, তাকে লিমিটিং ফ্যাক্টর (সীমাস্থ প্রভাবক) বলে। যেমন— সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলো, তাপমাত্রা, কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রভৃতির মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন মাত্রায় উপস্থিত থাকে, সেটিই ওই প্রক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে P হলো ফ্লোয়েম এবং Q হলো জাইলেম। জাইলেম ও ফ্লোয়েমের সমন্বয়ে পরিবহন বা ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র গঠিত হয়।
জাইলেম ও ফ্লোয়েমের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে ভাস্কুলার বান্ডলকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:
১. সংযুক্ত (Conjoint): জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধে পাশাপাশি অবস্থান করে একটি ভাস্কুলার বান্ডল গঠন করলে তাকে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল বলে। এটি দুই প্রকার:
(ক) সমপার্শ্বীয় (Collateral): কেন্দ্র বা ভিতরের দিকে জাইলেম এবং পরিধির দিকে ফ্লোয়েম থাকে। জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝে ক্যাম্বিয়াম থাকলে তাকে মুক্ত সমপার্শ্বীয় এবং ক্যাম্বিয়াম না থাকলে তাকে বদ্ধ সমপার্শ্বীয় বলে।
(খ) সমদ্বিপার্শ্বীয় (Bicollateral): মাঝে জাইলেম এবং এর দুই পাশে দুটি ফ্লোয়েম ও দুটি ক্যাম্বিয়াম স্তর থাকে।২. অরিয় (Radial): জাইলেম ও ফ্লোয়েম পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাসার্ধে পর্যায়ক্রমে অবস্থান করে বান্ডল সৃষ্টি করলে তাকে অরিয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। মূলের ভাস্কুলার বান্ডল অরিয় প্রকৃতির।
৩. কেন্দ্রিক (Concentric): এক প্রকার পরিবহন টিস্যু অপর প্রকার পরিবহন টিস্যুকে সম্পূর্ণ ঘিরে রাখলে তাকে কেন্দ্রিক বান্ডল বলে। এটি দুই প্রকার:
(ক) জাইলেমকেন্দ্রিক বা হ্যাড্রোসেন্ট্রিক (জাইলেম কেন্দ্রে ও বাইরে ফ্লোয়েম)।
(খ) ফ্লোয়েমকেন্দ্রিক বা লেপ্টোসেন্ট্রিক (ফ্লোয়েম কেন্দ্রে ও বাইরে জাইলেম)। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে চিত্র M হলো সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল, যা প্রধানত উদ্ভিদের কাণ্ডে পাওয়া যায়। চিত্র N হলো অরিয় ভাস্কুলার বান্ডল, যা উদ্ভিদের মূলে পাওয়া যায়। নিচে কাণ্ড ও মূলের অভ্যন্তরীণ গঠনের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো:
১. ত্বক: কাণ্ডের বহিঃত্বককে এপিডার্মিস বলে এবং এতে কিউটিকল ও বহুর্কোষী রোম উপস্থিত থাকে। অন্যদিকে মূলের বহিঃত্বককে এপিব্লেমা বলে; এতে কোনো কিউটিকল থাকে না এবং এককোষী মূলরোম বিদ্যমান থাকে।
২. অধঃত্বক (হাইপোডার্মিস): কাণ্ডে সাধারণত কোলেনকাইমা বা স্ক্লেরেনকাইমা দিয়ে গঠিত হাইপোডার্মিস বা অধঃত্বক উপস্থিত থাকে; কিন্তু মূলে হাইপোডার্মিস অনুপস্থিত।
৩. কর্টেক্স: কাণ্ডের কর্টেক্স অপেক্ষাকৃত সরু এবং বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত থাকে; কিন্তু মূলের কর্টেক্স তুলনামূলকভাবে বেশ প্রশস্ত ও সমসত্ত্ব প্যারেনকাইমা কোষে গঠিত।
৪. অন্তঃত্বক (এন্ডোডার্মিস): কাণ্ডে এন্ডোডার্মিস সুস্পষ্ট নাও হতে পারে বা স্টার্চ শিথ তৈরি করে। মূলে এন্ডোডার্মিস সবসময় সুস্পষ্ট এবং এতে ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ দেখা যায়।
৫. ভাস্কুলার বান্ডল: কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডল সংযুক্ত, সমপার্শ্বীয় বা সমদ্বিপার্শ্বীয় প্রকৃতির। মূলের ভাস্কুলার বান্ডল অরিয় প্রকৃতির।
৬. জাইলেমের প্রকৃতি: কাণ্ডের জাইলেম এন্ডার্ক প্রকৃতির (প্রোটোজাইলেম ভেতরের দিকে এবং মেটাজাইলেম পরিধির দিকে থাকে)। কিন্তু মূলের জাইলেম এক্সার্ক প্রকৃতির (প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে থাকে)।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও