যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

রুবেল হয় চিন্তাশীল আলতাফ হয় চিন্তাশীলআনিছুর হয় চিন্তাশীল আঁখি হয় চিন্তাশীল সুতরাং সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল।

  1. ক)

    প্রকৃত আরোহ কী?

    (1)
  2. খ)

    বৈজ্ঞানিক আরোহ বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আরোহটির বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আরোহানুমানটির সঙ্গে অবৈজ্ঞানিক আরোহের পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে আরোহ প্রক্রিয়ায় আরোহের মূল বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ 'আরোহমূলক লম্ফ' (Inductive Leap) উপস্থিত থাকে, তাকে প্রকৃত আরোহ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্ত প্রত্যক্ষণের মাধ্যমে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়াকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহমূলক লম্ফ বিদ্যমান থাকে এবং এটি নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রদান করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রদত্ত আরোহানুমানটি হলো একটি 'বৈজ্ঞানিক আরোহ' (বা প্রকৃত আরোহ)। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

    ১. বিশেষ থেকে সার্বিকে গমন: এখানে রুবেল, আলতাফ, আনিছুর ও আঁখি—এই বিশেষ কয়েকজন ব্যক্তির চিন্তাশীলতা লক্ষ্য করে 'সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল' নামক একটি সার্বিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়েছে।
    ২. আরোহমূলক লম্ফ: জানা বা প্রত্যক্ষকৃত কয়েকজন ব্যক্তির চিন্তাশীলতা থেকে অজ্ঞাত সকল মানুষের চিন্তাশীলতার ধারণায় পৌঁছানোর জন্য এতে 'আরোহমূলক লম্ফ' বিদ্যমান রয়েছে।
    ৩. সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য গঠন: সিদ্ধান্তের যুক্তিবাক্যটি ('সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল') একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে নতুন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
    ৪. বাস্তব অভিজ্ঞতা নির্ভরতা: সিদ্ধান্তটি বিশেষ মানুষের চিন্তাশীলতার বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আরোহানুমানটি মূলত একটি বৈজ্ঞানিক আরোহ। অবৈজ্ঞানিক আরোহের সঙ্গে এর মৌলিক পার্থক্য নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. কার্যকারণ সম্পর্ক: বৈজ্ঞানিক আরোহে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির সাথে কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পক্ষান্তরে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে কোনো কার্যকারণ সম্পর্কের সন্ধান না করে কেবল অবাধ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়।
    ২. সিদ্ধান্তের নিশ্চয়তা: উদ্দীপকের বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত ও বৈজ্ঞানিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত কেবল সম্ভাব্য, কখনও নিশ্চিত নয়।
    ৩. প্রতিকূল দৃষ্টান্তের গুরুত্ব: বৈজ্ঞানিক আরোহে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে এতে বিরোধী বা প্রতিকূল দৃষ্টান্তের সম্ভাবনা থাকে না। অপরপক্ষে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে একটিমাত্র বিপরীত বা প্রতিকূল দৃষ্টান্ত পুরো সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দিতে পারে।
    ৪. প্রক্রিয়াগত জটিলতা: উদ্দীপকের বৈজ্ঞানিক আরোহ সুশৃঙ্খল পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অন্যদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অবাধ অভিজ্ঞতালব্ধ সহজ-সরল প্রক্রিয়ামাত্র।

    সুতরাং উদ্দীপকের আরোহ প্রক্রিয়াটি বৈজ্ঞানিক ভিত্তিসম্পন্ন হওয়ায় তা কার্যকারণহীন অবৈজ্ঞানিক আরোহ থেকে পদ্ধতি ও নিশ্চয়তার দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন