‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

সালাম ও কালামের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ আছে। একদিন সালাম তার লোকজন নিয়ে কালামের ওপর হামলা করে। সালামকে প্রধান আসামি করে কালাম আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত সালামকে শাস্তি দেয়।

  1. ক)

    সরকারের বিভাগ কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    সাংবিধানিক আইন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    সালাম কোন আইনে শাস্তি পায়?

    (3)
  4. ঘ)

    সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্দীপকে বর্ণিত আইন কি ভূমিকা পালন করে ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সরকারের প্রধান বিভাগ তিনটি—আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব মৌলিক আইন দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালিত হয় এবং যা সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে সাংবিধানিক আইন বলে। এ আইন রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার ধরন, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষমতা ও কার্যাবলি এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার নির্ধারণ করে থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সালাম ফৌজদারি (বা দণ্ডবিধি সংক্রান্ত সরকারি) আইনের আওতায় শাস্তি পায়।

    আইন মূলত দেওয়ানি ও ফৌজদারি এই দুই প্রধান ভাগে বিভক্ত। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী সহিংস অপরাধ, শারীরিক আক্রমণ, মারামারি, হত্যা ইত্যাদির বিচার ফৌজদারি আইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

    উদ্দীপকে সালাম ও কালামের জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও, সালাম লোকজন নিয়ে কালামের ওপর শারীরিক হামলা চালিয়ে আইন লঙ্ঘন করে এবং অপরাধমূলক কাজ করে। জমি সংক্রান্ত মূল বিরোধ দেওয়ানি হলেও হামলার কারণে তা ফৌজদারি অপরাধে রূপ নিয়েছে। কালামের করা মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সালামকে দণ্ড দেয়, যা ফৌজদারি আইনের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্দীপকে বর্ণিত আইন (ফৌজদারি আইন/আইনের শাসন) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    আইন মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে এবং অন্যায় ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করে। আইনের ভয় না থাকলে সমাজ অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলায় ভরে উঠত, যা 'জোর যার মুল্লুক তার' অবস্থার সৃষ্টি করত।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, সালাম জমিজমার বিরোধে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কালামের ওপর হামলা চালায়। কিন্তু আদালত আইনের বিধান প্রয়োগ করে সালামকে শাস্তি প্রদান করে। এতে প্রমাণিত হয় যে, কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এ ধরনের শাস্তিমূলক বিধান সমাজে অপরাধীদের ভীতি প্রদর্শন করে, সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয় এবং দুর্বলদের সবলের নির্যাতন থেকে রক্ষা করে।

    সুতরাং, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে অন্যায়কারীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ফলেই সমাজে স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় থাকে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন