ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

একটি উৎপাদনমূখী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী যে কোন পরিস্থিতিতে ভয়-ভীতি ঊর্ধে থেকে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব করে। তিনি অল্পে ভেঙে পড়েন না। কিন্তু নেতৃত্ব দানের ক্ষেত্রে তিনি অদস্তনদের অবাধ স্বাধীনতা দেন। অদস্তন্দের থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখেন। তিনি শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়ে সরে পড়েন। ফলে এত দৃঢ় মানসিকতার লোক হয়েও সফল হতে পারছেন না। প্রতিষ্ঠানে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।

  1. ক)

    আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব কি?

    (1)
  2. খ)

    লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে নেতার কোন ধরনের গুণ প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    "নেতৃত্ব ধরণ পরিবর্তনে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে সফলতা এনে দিতে পারে"- তুমি কি একমত? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদা, কর্তৃত্ব ও কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে যে নেতৃত্ব গড়ে ওঠে তাকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানের সাধারণ লক্ষ্য অর্জনে কর্মীদের উৎসাহিত, অনুপ্রাণিত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করে। কার্যকর নেতৃত্ব ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক মানবসম্পদ ও অন্যান্য উপায়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন সম্ভব হয় না। নেতা সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ও লক্ষ্য পানে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে পরিচালিত করেন বলেই লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নেতার 'সাহস ও দৃঢ় মনোবল' গুণের প্রকাশ ঘটেছে।

    যেকোনো প্রতিকূল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভয়ভীতি ও দ্বিধাদ্বন্দ্বকে কাটিয়ে শান্ত থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গুণকে সাহস ও দৃঢ় মনোবল বলে। একজন নেতার এ মানসিক দৃঢ়তা কর্মীদের মাঝে ভরসা জোগায়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী যেকোনো পরিস্থিতিতে ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন এবং তিনি অল্পতে ভেঙে পড়েন না। অর্থাৎ প্রতিকূল অবস্থাতেও তিনি অটল ও আত্মবিশ্বাসী থাকেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে নেতার মানসিক দৃঢ়তা ও সাহসিকতার গুণটি স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "নেতৃত্বের ধরন পরিবর্তনে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে সফলতা এনে দিতে পারে"- উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

    উদ্দীপকে নির্বাহী মূলত 'মুক্ত বা লাগামহীন নেতৃত্ব' অনুসরণ করছেন। এই ধরনের নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের ওপর অবাধ স্বাধীনতা ছেড়ে দেন, নিজে কাজের তদারকি করেন না এবং দায়িত্ব এড়িয়ে চলেন। ফলে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা, সমন্বয়হীনতা ও অলসতা বৃদ্ধি পায়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, নির্বাহী নিজে দৃঢ় মানসিকতার হলেও কর্মীদের অবাধ স্বাধীনতা দেন, তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেন এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়ে সরে পড়েন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি ব্যর্থ হচ্ছেন।

    উক্ত প্রতিষ্ঠানে মুক্ত নেতৃত্বের পরিবর্তে 'গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব' প্রবর্তন করা প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং নেতা সার্বক্ষণিক কাজের তদারকি ও দিকনির্দেশনা দেন। এতে কর্মীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জিত হবে। অতএব, নেতৃত্বের ধরন পরিবর্তন করলে প্রতিষ্ঠানটিতে নিশ্চিতভাবেই সফলতা ফিরে আসবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন