বাংলা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

2.1.

বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

2.2.

যেকোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখো: পরজীবী, সরস্বতী, ইতিমধ্যে, মনজোগ, মহিয়সী, নিরস, উপরোক্ত, মণিষী।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

স্পষ্ট অনুমান: মূল এইচএসসি ২০২৩ ঢাকা বোর্ডের প্রশ্নপত্রে 'পরজীবী' ও 'সরস্বতী' যথাক্রমে 'পরজীবি' ও 'স্বরসতী' হিসেবে অশুদ্ধ আকারে মুদ্রিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে প্রদত্ত প্রশ্নে অবিকল থাকলে সেগুলো শুদ্ধ রূপেই নির্দেশ করা হয়েছে।

২.১. বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম:

১. তৎসম শব্দের হ্রস্বস্বর: যেসব তৎসম শব্দে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উভয় স্বর (ই/ঈ বা উ/ঊ) অভিধানসিদ্ধ, সেসব শব্দে কেবল হ্রস্বস্বর এবং তার কারচিহ্ন (ি, ু) ব্যবহৃত হবে। যেমন: শ্রেণি, পদবি, ধমনি, পল্লি।

২. অতৎসম শব্দে ই-কার: সকল অতৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ও মিশ্র) শব্দে কেবল হ্রস্ব 'ই' এবং এর কারচিহ্ন (ি) ব্যবহৃত হবে; দীর্ঘ 'ঈ' বা 'ী' ব্যবহৃত হবে না। যেমন: শাড়ি, পাখি, বাড়ি, চাবি, সরকারি।

৩. স্ত্রীবাচক অতৎসম শব্দ: অতৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার (ি) হবে। যেমন: নানি, দাদি, মাসি, পিসি, চাচি।

৪. 'আলি' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ: শব্দের শেষে 'আলি' প্রত্যয় যুক্ত হলে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার (ি) হবে। যেমন: সোনালি, রুপালি, বর্ণালি, মিতালি।

৫. সন্ধিজাত 'ং'-এর ব্যবহার: সন্ধির নিয়মে পদের অন্তে অবস্থিত 'ম্'-এর পরে ক-বর্গের বর্ণ (ক, খ, গ, ঘ) থাকলে 'ম্'-এর স্থলে অনুস্বার (ং) হবে; ঙ লেখা যাবে না। যেমন: অহংকার (অহম্ + কার), সংগীত (সম্ + গীত), শুভংকর (শুভম্ + কর)।


২.২. যেকোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান:

  • ইতিমধ্যে — ইতোমধ্যে (বা এতন্মধ্যে)
  • মনজোগ — মনোযোগ
  • মহিয়সী — মহীয়সী
  • নিরস — নীরস
  • উপরোক্ত — উপরিউক্ত (বা উপর্যুক্ত)
  • মণিষী — মনীষী
  • পরজীবী — পরজীবী (প্রদত্ত বানানটি শুদ্ধ; অশুদ্ধ রূপ 'পরজীবি' হলে শুদ্ধ রূপ 'পরজীবী')
  • সরস্বতী — সরস্বতী (প্রদত্ত বানানটি শুদ্ধ; অশুদ্ধ রূপ 'স্বরসতী' হলে শুদ্ধ রূপ 'সরস্বতী')

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন