পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মিম বিটিভির শিরোনাম দেখে আনন্দিত। ভেজাল মিশ্রিত খাদ্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও বিভিন্ন মেয়াদী সাজার ব্যবস্থা করেছেন।
- ক)(1)
ইভটিজিং কী?
- খ)(2)
HIV রোগের দুটি কারণ লেখ।
- গ)(3)
উদ্দীপকে মিমের দেখা বিটিভির খাদ্য ভেজাল নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকায় তুমি কি সন্তুষ্ট? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি আর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে বলে তুমি মনে কর? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং হলো প্রকাশ্যে বা জনসমক্ষে নারীদের লক্ষ্য করে যৌন হয়রানিমূলক, ইঙ্গিতপূর্ণ বা উত্ত্যক্তকারী উক্তি বা আচরণ করা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
HIV রোগের দুটি প্রধান কারণ হলো:
১. অনিরাপদ ও অনৈতিক শারীরিক বা যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা।
২. HIV সংক্রমিত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ বা তার ব্যবহৃত সূচ/সিরিঞ্জ পুনরায় ব্যবহার করা। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মিমের দেখা বিটিভির খাদ্য ভেজাল নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকায় আমি সন্তুষ্ট।
খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও মারাত্মক অপরাধ। সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের তাৎক্ষণিক জরিমানা ও বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। উদ্দীপকে মিম সরকারের এ ধরনের উদ্যোগে আনন্দিত হয়েছে। সরকারের এই ত্বরিত পদক্ষেপ অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভেজাল বিক্রি রোধে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। অতএব, এটি একটি প্রশংসনীয় ও কার্যকর উদ্যোগ হওয়ায় আমি এতে সন্তুষ্ট। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সরকারের গৃহীত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি খাদ্য ভেজাল প্রতিরোধে আরও বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমন:
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও নিরাপদ খাদ্য আইনের কঠোর ও নিয়মিত প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
২. নিয়মিত তদারকি ও পরীক্ষণ: প্রতিটি খাদ্য উৎপাদন কারখানা, বাজার ও গুদামে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন ও নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা।
৩. লাইসেন্স বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: ভেজালকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল এবং দৃষ্টান্তমূলক দীর্ঘমেয়াদি শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৪. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রচার চালানো এবং ব্যবসায়ীদের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে মোটিভেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৫. সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা: ভোক্তা সাধারণের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি কমিটি গঠন করা।
পরিশেষে, শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালতই যথেষ্ট নয়; সমন্বিত আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমেই খাদ্য ভেজাল পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও