‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

SSC পরীক্ষায় GPA-5.00 পাওয়া ফিরোজের কোনো হাতেই আঙ্গুল নেই।

  1. ক)

    AIDS কী?

    (1)
  2. খ)

    খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    ফিরোজ যে ধরনের মানুষ তার শ্রেণিকরণ কর।

    (3)
  4. ঘ)

    বর্ণিত সমস্যা সমাধানে তোমার সুপারিশ তুলে ধর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    AIDS হলো HIV (Human Immunodeficiency Virus) নামক ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংসকারী একটি মারণব্যাধি। এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খাদ্যে ভেজাল বলতে কোনো খাদ্যদ্রব্যের প্রকৃত গুণাগুণ নষ্ট করে বা অর্থনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে তাতে নিকৃষ্ট, ক্ষতিকর, অপ্রয়োজনীয় বা বিষাক্ত কোনো বাহ্যিক উপাদান মেশানোকে বোঝায়। এছাড়া খাদ্য থেকে কোনো পুষ্টিকর বা আবশ্যক উপাদান সরিয়ে নেওয়াও খাদ্যে ভেজালের অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ফিরোজ একজন 'শারীরিক প্রতিবন্ধী' ব্যক্তি।

    সাধারণত যেসব মানুষের কোনো না কোনো অঙ্গের বিকলতা, অভাব বা অস্বাভাবিকতা থাকে এবং যার কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়, তাদের শারীরিক প্রতিবন্ধী বলা হয়। প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যেমন—
    ১. শারীরিক প্রতিবন্ধী: যাদের হাত, পা বা শরীরের কোনো অঙ্গের অভাব বা অক্ষমতা রয়েছে (যেমন ফিরোজের হাতে আঙুল না থাকা)।
    ২. দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: যারা চোখে সম্পূর্ণ বা আংশিক দেখতে পায় না।
    ৩. বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী: যারা কথা বলতে ও শুনতে পায় না।
    ৪. বুদ্ধি প্রতিবন্ধী: যাদের মানসিক বিকাশ বয়সের তুলনায় কম বা সীমিত।
    ৫. বহুবিধ প্রতিবন্ধী: যাদের একই সঙ্গে একাধিক প্রতিবন্ধিতা বিদ্যমান।

    উদ্দীপকের ফিরোজের শারীরিক গঠনের অপূর্ণতা (হাতে আঙুল না থাকা) থাকায় সে মূলত শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যাটি হলো প্রতিবন্ধিতা বা শারীরিক প্রতিবন্ধীদের সমাজে প্রতিষ্ঠা ও অধিকার সুরক্ষার সমস্যা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় একীভূত করতে এবং তাদের সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশের জন্য নিম্নে সুপারিশ তুলে ধরা হলো:

    ১. বিশেষ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: প্রতিবন্ধীদের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য বিবেচনা করে উপযোগী শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। যেমন ফিরোজের মতো প্রতিভাবানদের জন্য বিশেষ সহায়তামূলক প্রযুক্তির ব্যবস্থা করা।
    ২. কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি: সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযুক্ত কোটা নির্ধারণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করা।
    ৩. সামাজিক সচেতনতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: প্রতিবন্ধীদের প্রতি পরিবার ও সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে সহানুভূতিশীল ও ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা।
    ৪. প্রবেশগম্যতা ও অবকাঠামোগত সুবিধা: প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস, গণপরিবহন ও গণপরিসরে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো (যেমন- র‍্যাম্প, লিফট ইত্যাদি) নিশ্চিত করা।
    ৫. আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসন: প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ও অধিকার আইন বাস্তবায়ন এবং তাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি) জোরদার করা।

    পরিশেষে বলা যায়, উপযুক্ত পরিবেশ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ফিরোজের মতো প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন