পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
নেলসন মেন্ডেলার নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাধীনতা লাভ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তেমনি একজন মহান নেতার অবদান-অবিস্মরণীয়। তার অদম্য সাহস এবং সম্মোহনী নেতৃত্বে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্র বিশ্ব মানচিত্র স্থান করে নিয়েছে।
- ক)(1)
দেশবন্ধু উপাধি কাকে দেওয়া হয়?
- খ)(2)
দুর্নীতি বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের নেলসন মেন্ডেলার সাথে তোমার পঠিত বইয়ের কোন নেতার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় উক্ত নেতার অবদান মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দেশবন্ধু উপাধি দেওয়া হয় বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী চিত্তরঞ্জন দাশকে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণ অর্থে নীতিবিরুদ্ধ বা আইনবহির্ভূত যেকোনো আচরণই দুর্নীতি। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সুশাসনের ভাষায়, ব্যক্তিগত স্বার্থোদ্ধার বা আর্থিক লাভের জন্য অর্পিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার অপব্যবহার বা অসদুপায় অবলম্বন করাকে দুর্নীতি বলে। যেমন—ঘুষ গ্রহণ, স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ প্রভৃতি দুর্নীতির উদাহরণ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের নেলসন মেন্ডেলার সাথে আমার পঠিত বইয়ের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাদৃশ্য রয়েছে।
নেলসন মেন্ডেলা যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়ে নিজ জাতিকে মুক্তির স্বাদ পাইয়ে দিয়েছিলেন, ঠিক তেমনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে পাকিস্তানি দুঃশাসন ও বৈষম্যের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকে বর্ণিত অদম্য সাহস এবং সম্মোহনী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে একটি দেশের স্থান করে নেওয়ার বিষয়টি সরাসরি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক নেতৃত্বকে নির্দেশ করে। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বে ও আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয় ও অপরিহার্য।
১৯৪৮ ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালের বাঙালির মুক্তিসনদ ঐতিহাসিক 'ছয় দফা' দাবি পেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধিকার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান। এর ফলে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয় এবং তিনি 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এরপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানালে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তিনি ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার ডাক দেন—“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার পর ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর অনুপস্থিতিতেও তাঁর নামে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সুতরাং, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বই ছিল মূল চালিকাশক্তি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও