যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

মুমতাহিনা একটি বই পড়ছে। বইটিতে বিভিন্ন বিষয়ের পরিচয় লেখা আছে। হাতির পরিচয়ে লেখা আছে, “হস্তী হলো প্রচণ্ড মত্ত চতুষ্পদী দেহধারী এক প্রকার আত্মা"। সংজ্ঞাটি পড়ে মুমতাহিনা তেমন কিছু বুঝতে পারেনি।

  1. ক)

    চক্রক সংজ্ঞা কী?

    (1)
  2. খ)

    সংজ্ঞার সীমাবদ্ধতা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মুমতাহিনার পঠিত সংজ্ঞাটিতে কোন নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে মুমতাহিনার পঠিত বিষয়টিতে যে ধরনের সমস্যা উদ্ভব ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে পদের সংজ্ঞা দিতে হবে, সেই পদ বা তার কোনো সমার্থক বা প্রতিশব্দ ব্যবহার করে যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়, তাকে চক্রক সংজ্ঞা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সকল পদের যৌক্তিক সংজ্ঞা দেওয়া যায় না; যেসব ক্ষেত্রে সংজ্ঞার নিয়ম প্রয়োগ করা অসম্ভব, তাকে সংজ্ঞার সীমাবদ্ধতা বলে। যেমন— পরম জাতি (Summum Genus), বিশিষ্ট বিশিষ্ট নামবাচক পদ, একক গুণবাচক পদ ইত্যাদির আসন্নতম জাতি বা বিভেদক লক্ষণ না থাকায় এদের সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব হয় না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মুমতাহিনার পঠিত সংজ্ঞাটিতে যৌক্তিক সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়েছে। সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়মটি হলো: "যে পদের সংজ্ঞা দিতে হবে, সেই পদটি অপেক্ষা সংজ্ঞাটি অধিকতর স্পষ্ট ও সহজবোধ্য হতে হবে; সংজ্ঞায় কোনো রূপক বা দুর্বোধ্য ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।" কিন্তু উদ্দীপকে হাতির পরিচয় দিতে গিয়ে "প্রচণ্ড মত্ত চতুষ্পদী দেহধারী এক প্রকার আত্মা"— এরূপ অত্যন্ত জটিল ও দুর্বোধ্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, যা পদটিকে স্পষ্ট করার বদলে আরও অস্পষ্ট ও জটিল করে তুলেছে। তাই এখানে নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে 'দুর্বোধ্য সংজ্ঞা' অনুপপত্তি ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মুমতাহিনার পঠিত বিষয়টি থেকে যৌক্তিক সংজ্ঞার 'দুর্বোধ্য সংজ্ঞা অনুপপত্তি' জনিত সমস্যার উদ্ভব ঘটেছে।
    যৌক্তিক সংজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো কোনো পদের অর্থকে সুস্পষ্ট, প্রাঞ্জল ও অর্থপূর্ণ করা। কিন্তু দ্বিতীয় নিয়ম অমান্য করে যদি সহজ শব্দের পরিবর্তে অপ্রচলিত, গম্ভীর বা জটিল শব্দের আশ্রয় নেওয়া হয়, তবে সেখানে 'দুর্বোধ্য সংজ্ঞা' অনুপপত্তি দেখা দেয়।
    উদ্দীপকে 'হাতি' বা 'হস্তী'র সাধারণ অর্থের চেয়ে তার সংজ্ঞার্থ করতে গিয়ে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে ("প্রচণ্ড মত্ত চতুষ্পদী দেহধারী এক প্রকার আত্মা"), তা সাধারণ পাঠকের নিকট সম্পূর্ণ অবোধ্য। এর ফলে সংজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য— কোনো বিষয়ের স্বরূপ পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তোলা— সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়েছে এবং মুমতাহিনা তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। অতএব, এখানে দুর্বোধ্য সংজ্ঞার সমস্যাটি সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন