যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে করেন। তিনি মানুষ ছিলেন।

  1. ক)

    বিধেয়ক  কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয় কেন বিধেয়ক নয়।

    (2)
  3. গ)

    দীপকের প্রথম বাক্যটিতে কোন ধরনের বিধয়কের ইঙ্গিত করে?

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির গুণগুলোর সম্পর্ক পাঠ্যবই – এর আলোকে বিশ্লেষণ কর?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার অর্থগত বা গুণগত সম্বন্ধকে বিধেয়ক (Predicable) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিধেয় হলো যুক্তিবাক্যের একটি দৃশ্যমান বা কাঠামোগত পদ, যা উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে। অন্যদিকে, বিধেয়ক কোনো পদ নয়, বরং সদর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার সম্বন্ধের রূপ বা প্রকারভেদ। এছাড়া নঞর্থক যুক্তিবাক্যে বিধেয় থাকে কিন্তু কোনো বিধেয়ক থাকে না। তাই বিধেয় ও বিধেয়ক এক নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রথম বাক্যে ("রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে [জন্মগ্রহণ] করেন") বিধেয়কের পঞ্চবিধ রূপের মধ্যে 'অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ' নির্দেশ করে।

    যে গুণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর আসল সারসত্তা (লক্ষণ বা উপজাতীয় লক্ষণ) নয় এবং যা ব্যক্তি বা বস্তু থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন করা যায় না, তাকে অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন—জন্মস্থান, জন্মতারিখ বা নির্দিষ্ট পরিবারে জন্ম।

    উদ্দীপকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করার বিষয়টি তাঁর এমন একটি গুণ যা তাঁর আবশ্যিক লক্ষণ (বুদ্ধিবৃত্তি) নয়, আবার এটি তাঁর অতীত ও স্থায়ী পরিচয় হওয়ায় একে তাঁর থেকে পৃথক বা পরিবর্তন করাও অসম্ভব। সুতরাং এটি অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি হলো: "তিনি মানুষ ছিলেন।" এখানে মানুষ পদটির মধ্যকার অপরিহার্য গুণগুলোর সম্পর্ক নির্দেশিত হয়েছে, যা হলো 'লক্ষণ' (Differentia) বা মানুষের নিজস্ব জাতিগত গুণাবলি।

    যুক্তিবিদ্যায় মানুষের আসন্নতম জাতি হলো 'জীব' এবং এর সাধারণ গুণ হলো 'জীববৃত্তি'। কিন্তু মানুষকে অন্যান্য প্রাণী বা জীব থেকে আলাদা করে যে বিশেষ গুণ, তা হলো 'বুদ্ধিবৃত্তি'। এই বুদ্ধিবৃত্তি হলো মানুষের লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ।

    উদ্দীপকের বাক্যটিতে রবীন্দ্রনাথকে 'মানুষ' বলায় মানুষের মূল দুটি আবশ্যিক গুণের (জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি) উপস্থিতি স্বীকৃত হয়েছে। লক্ষণ (বুদ্ধিবৃত্তি) এবং উপজাতি (মানুষ)-এর পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই একটি পদের পূর্ণাঙ্গ যাত্যর্থ বা সারসত্তা গঠিত হয়। পাঠ্যবই অনুযায়ী, বিধেয়ক হিসেবে 'লক্ষণ' কোনো উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করে সামগ্রিক পরিচয় নির্ধারণ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন