ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

মি. কামাল একজন দক্ষ ব্যবস্থাপক। শারীরিক ও মানসিকভাবে তার সক্ষমতা আছে যে,১৮ ঘন্টা একনাগারে কাজ করলেও তিনি ক্লান্তি বোধ করেন না। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানে অধস্তনদের সবার সাথে তার আচরণ সমান। প্রত্যেককেই তিনি স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছেন। কাউকে বাড়তে সুযোগ দিতে তিনি পছন্দ করেন না। ফলে সকলের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ় এবং প্রতিষ্ঠানটিও ব্যবসায় সফল।

  1. ক)

    বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতি কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    প্রশাসনকে মস্তিষ্কের সঙ্গে তুলনা করা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ব্যবস্থাপকের কোন গুণটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    কোন নীতি অনুসরণ করায় প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায় সফলতা যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতি ৪টি।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানবদেহের মস্তিষ্ক যেমন পুরো দেহের কার্যক্রম চিন্তা, পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে পরিচালনা করে, তেমনি প্রশাসনও একটি প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য, নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।

    প্রশাসন হলো প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ স্তরীয় কর্তৃপক্ষ, যা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা ও রূপরেখা তৈরি করে। প্রশাসন প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য স্থির করে এবং ব্যবস্থাপনার অন্যান্য অঙ্গকে তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয়। এ কারণে মানবদেহের মস্তিষ্কের মতো চালিকাশক্তি ও চিন্তাশীল ভূমিকা পালনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনকে মস্তিষ্কের সাথে তুলনা করা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ব্যবস্থাপক মি. কামালের শারীরিক ও মানসিক গুণ/সামর্থ্য ফুটে উঠেছে।

    একজন সফল ব্যবস্থাপকের জন্য পর্যাপ্ত কর্মশক্তি, সুস্বাস্থ্য, সহনশীলতা এবং ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করার শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা থাকা আবশ্যক। দীর্ঘক্ষণ মানসিক চাপ সামলিয়ে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনের এ সামর্থ্য ব্যবস্থাপকের একটি অন্যতম মৌলিক ব্যক্তিগত গুণাবলী।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. কামাল শারীরিক ও মানসিকভাবে এতটাই সক্ষম যে একটানা ১৮ ঘণ্টা কাজ করলেও তিনি ক্লান্তিবোধ করেন না। কাজের প্রতি তার এই অবিচল মনোযোগ এবং দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকার সামর্থ্য মূলত ব্যবস্থাপকের শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা ও সহনশীলতার গুণকেই নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে হেনরি ফেয়ল বর্ণিত ব্যবস্থাপনার 'সাম্য' বা 'ন্যায়পরায়ণতার নীতি' (Principle of Equity) অনুসরণের ফলে ব্যবসায়িক সফলতা অর্জিত হয়েছে, যা অত্যন্ত যথার্থ।

    সাম্যের নীতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল অধস্তনদের প্রতি নিরপেক্ষ, সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ প্রদর্শন করতে হয়। পক্ষপাতহীন আচরণ কর্মীদের মনে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আনুগত্য, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য সৃষ্টি করে, যা দলগত সংহতি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে।

    উদ্দীপকে মি. কামাল অধস্তনদের সবার সাথে সমান আচরণ করেন এবং সবাইকে স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছেন। তিনি কাউকে কোনো ধরনের অন্যায্য বা বাড়তি সুযোগ দেন না। এই পক্ষপাতহীন আচরণের ফলে কর্মীদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়েছে এবং কর্মপরিবেশ অত্যন্ত ফলপ্রসূ রূপ ধারণ করেছে। এর চূড়ান্ত ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সফলতায়।

    অতএব, সাম্য ও ন্যায়বিচারের নীতি যথাযথভাবে প্রয়োগের ফলেই প্রতিষ্ঠানটিতে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং তা ব্যবসায়িক সফলতা এনে দিয়েছে। সুতরাং বক্তব্যটি পুরোপুরি যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন