ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

অধ্যাপক আব্দুল আযীয বললেন, মানুষের মাঝে এমন একটি গুণ পরিলক্ষিত হয়, যা তাকে পুণ্যের পথে পরিচালিত করে, আর পুণ্য মানুষটিকে জান্নাতের দিকে ধাবিত করে। অন্যদিকে আরেকটি নিন্দনীয় দিক আছে, যা মানুষকে পাপের পথে পরিচালিত করে। আর ঐ নিন্দনীয় বিষয়টি জাহান্নামের পথনির্দেশ করে।

  1. ক)

    (আল-হাদিস) কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    “মানুষ তার বন্ধুর জীবনাদর্শের অনুসারী হয়ে থাকে।”- ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    অধ্যাপক আব্দুল আযীয কোন গুণের কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর ।

    (3)
  4. ঘ)

    কোন নিন্দনীয় বিষয়টি জাহান্নামের পথনির্দেশ করে? কীভাবে আমরা তা পরিহার করতে পারি? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কথা, কাজ এবং মৌন সম্মতিকে হাদিস বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন— “মানুষ তার বন্ধুর জীবনাদর্শের অনুসারী হয়ে থাকে, সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকের লক্ষ্য রাখা উচিত সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।” মানুষ সামাজিক জীব হিসেবে সঙ্গীদের আচরণ, বিশ্বাস ও স্বভাব দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়। সৎ ও খোদাভীরু বন্ধুর সান্নিধ্য মানুষকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে, পক্ষান্তরে অসৎ সঙ্গ মানুষের নৈতিক ও আত্মিক অধঃপতনের কারণ হয়। এজন্যই হাদিসে উপযুক্ত ও সৎ বন্ধু নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধ্যাপক আব্দুল আযীয উদ্দীপকে ‘সত্যবাদিতা’ বা ‘আস-সিদ্ক্ব’ গুণের কথা বলেছেন।

    রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন— “তোমরা সত্যের পথ অবলম্বন করো; কারণ সত্য মানুষকে পুণ্যের পথে পরিচালিত করে, আর পুণ্য মানুষকে জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়।” উদ্দীপকে অধ্যাপক আব্দুল আযীয যে গুণের উল্লেখ করেছেন, তা এই হাদিসেরই প্রতিফলন। সত্যবাদিতা মানবচরিত্রের শ্রেষ্ঠ মহৎ গুণগুলোর অন্যতম। এটি মানুষের অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি করে এবং যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখে। সত্যবাদী ব্যক্তি সমাজে বিশ্বস্ত ও সম্মানিত হয় এবং আখিরাতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত নিন্দনীয় বিষয়টি হলো ‘মিথ্যাচার’ বা ‘আল-কিযব’। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, আর পাপ জাহান্নামের পথনির্দেশ করে।”

    মিথ্যা সমস্ত পাপের মূল জননী (উম্মুল মাআছি)। মিথ্যা মানুষের ওপর থেকে আল্লাহর রহমত ও আস্থা উঠিয়ে নেয় এবং জাহান্নামের পথ প্রশস্ত করে।

    মিথ্যাচার পরিহারের উপায়সমূহ:
    ১. আল্লাহর সার্বক্ষণিক নজরদারির প্রতি ভয় ও তাকওয়া জাগ্রত করা, কারণ মানুষ যা-ই উচ্চারণ করে তা লিপিবদ্ধ করা হয়।
    ২. রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ও সত্যবাদিতার সুফল এবং মিথ্যার ভয়াবহ পরিণাম ও শাস্তি সম্পর্কে সচেতন থাকা।
    ৩. নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখা এবং অসৎ ও মিথ্যাবাদী সঙ্গীদের সংসর্গ ত্যাগ করা।
    ৪. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে সত্য কথা বলা।

    সুতরাং, সচেতনভাবে আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে মিথ্যাচার পরিহার করে জাহান্নামের পথ থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন